[মতামত] রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তির সার্থকতা

Print Friendly and PDF

করীম রেজা

শেষতক পোপ নিজেও আর রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করলেন না। তাকে করতে দেয়া হলো না। মিয়ানমারের কূটনীতি বিশ্বের অন্যতম জীবিত আধ্যাত্মিক নেতাকেও বশ করে ফেলল। হতে পারে আমরা এ ঘটনার নানা মাত্রিক ব্যাখ্যা অচিরেই পেতে থাকব। তবে মোদ্দা কথা হলো রোহিঙ্গাদের ভাগ্যের কোনও পরিবর্তনের আভাস কোথাও নেই। ছয় লাখের ওপর রোহিঙ্গা হিন্দু মুসলমান ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আগে থেকেই আছে আরও ৪/৫ লাখ।  হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা নেহায়েতই হাতেগোনা। এখনও তারা দলে দলে বাংলাদেশে আসছে। পোপকে বোঝানো হয়েছে মিয়ানমারে কোনো ধর্মীয় জনগোষ্ঠী নির্যাতিত হচ্ছে না। সু চির খেতাব ফিরিয়ে নিয়েছে অক্সফোর্ড। পক্ষান্তরে ‘ইসলামফোবিয়া’ খেতাব জিতে নিয়েছে সু চি অন্যদের পেছনে ফেলে।
আন্তর্জাতিক চাপ, বাংলাদেশের কূটনৈতিক পদক্ষেপ, চীনের বিশেষ আগ্রহ, ভূ-রাজনীতির হিসাব নিকাশ ও মিয়ানমারের কৌশলগত তাড়াহুড়ায় গত ২৩ নভেম্বর একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত দিতে ও নিতে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে এই বোঝাপড়া। যদিও বাংলাদেশের পক্ষে নয় কোনও শর্তই। এমনকি যাদের নিয়ে, যাদের জন্য এই সমঝোতা তাদের জন্যও এতে বিশেষ তো দূরের কথা সাধারণ সুবিধাটুকুও নিশ্চিত হয়নি। ১৯৯২ সালের চুক্তির শর্তসমূহই এবারেও ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অপরিবর্তিত। মনে রাখতে হবে ১৯৯২ সালের প্রত্যাবাসন চুক্তিও মিয়ানমার কখনই সঠিকভাবে মানেনি। এখানে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবাদে অসহায়। কোনো গ্যারান্টি ক্লজ বা তৃতীয় পক্ষের সালিশি করার সুযোগও নাই। সবকিছুর শেষ কথা মিয়ানমার যা বলবে তাই শিরোধার্য। ইচ্ছে হলে ফেরত নিবে, ইচ্ছে না হলে নিবে না, তখন বাংলাদেশ বা অন্য কারো কিছুর বলার থাকবে না।
বাংলাদেশের মিত্র পরিচয় বিবেচনায় দেখা যায় যে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন আচরণই নিয়ামক মানদণ্ড। ৭১ সালে যারা বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতা করেছে সেই সব দেশই কিন্তু সময়ে সুযোগে বাংলাদেশের স্বার্থের বিপক্ষে ভূমিকা রেখেছে এবং রাখছে। স্বার্থ সুবিধার নিরিখে তখনকার মিত্রদেশ বা দেশগুলোও বিরোধী শিবিরে নাম ওঠায়। বাংলাদেশের সেই প্রচলিত কথাটি আবার মনে আসে। একজন রাজাকার মুক্তিযোদ্ধাকে সমর্থন দেয় না কখনই কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা রাজাকারের নিয়ম-নীতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে পারে। বৈশ্বিক পর্যায়েও বাংলাদেশের জন্য এ এক কঠিন বাস্তবতা। সার্কভুক্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো মুখে সমর্থনের কথা বললেও বিশ্ব দরবারে কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষের প্রতি নীরব বা প্রকাশ্য সমর্থন দিয়েছে। ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি দেশ তার প্রমাণ। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষে খুব জোরালো সমর্থন এসেছে উপমহাদেশের বাইরে থেকে।
অবস্থাদৃষ্টে বাংলাদেশ সেই সমর্থন যথাযথ ব্যবহারে পারদর্শিতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর পর কোনো চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষিত হয়েছে আমাদের আমলা মহাজনদের হাতে তেমন দৃষ্টান্ত বিরল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় ঝানু বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ, দীর্ঘ অভিজ্ঞতার দাবিদার। তিনিও কেন আমলা-মানসিকতা নিয়ে এ ব্যবস্থাপনায় প্রতিবেশী মিয়ানমারের ইচ্ছেকেই প্রাধান্য দিলেন, তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। পত্রিকান্তরের খবর থেকে জানা যায় যে, মন্ত্রী মহোদয় তার সমপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের আগের মুসাবিদার অনেক বিষয় বৈঠকে পরিবর্তিত ও বাতিল হয়েছে। ২০১৬ সালের আগে থেকে যে সব রোহিঙ্গা এদেশে রয়েছে তাদের ফেরত নেয়ার ব্যাপারেও চূড়ান্ত রায় দেবে মিয়ানমার।
স্মারক সই হওয়ার আগে চীনের তিন শর্ত প্রচ্ছন্ন হুমকির মতো কাজ করেছে। তাই বোধ হয় ৩য় পক্ষ বা কোনো গ্যারান্টি শর্ত নাই। এই কারণে বাংলাদেশ যদি সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত হয়ে থাকে তা অস্বাভাবিক কিছু নয়, অমূলক নয়। তবে বাংলাদেশের উচিত ছিল আরও সময় নেয়া। তাড়া ছিল মিয়ানমারের। বিশ্ববাসীর নজর অন্যদিকে ফেরানোর জন্য তাদের প্রচেষ্টারই অংশ ছিল সমঝোতার নাটক মঞ্চায়ন করা। আমাদের কূটনীতি মিয়ানমারের তুলনায় নেহায়েতই শিশু। সারাবিশ্বে কোথাও কোনো রাষ্ট্রীয় সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ করেনি। অর্থাৎ মিয়ানমার তার কূটনীতি দ্বারা রোহিঙ্গাদের মূল পরিচয় আড়াল করতে সমর্থ হয়েছে। পক্ষান্তরে বাংলাদেশ কী করতে পেরেছে!
মিয়ানমার খুব ভালো করেই জানত, একটা সময় পরে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের বোঝা বহন করতে অসমর্থ হয়ে পড়বে। যতই বাইরের সাহায্য-সহযোগিতা আসুক না কেন। অবস্থা দৃষ্টে এবং বাংলাদেশ বিদেশ মন্ত্রীর মুখের কথায়ও এর প্রতিধ্বনি আছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা বোঝা যেনতেন প্রকারে নামাতে চাইছে। সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ এই বোঝা দীর্ঘদিন টানতে পারবে না এটাই বাস্তবতা। মানবিকতাবোধের সীমা এক সময়ে অতিক্রান্ত হবেই। কিন্তু ভবিষ্যতে আবার অনুরূপ পরিস্থিতির কারণে  রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নাই। কাজেই এবারে বোঝা সরিয়ে দেয়া মানেই চিরকালের জন্য সরিয়ে দেয়া নয়। ১৯৯২ সালের চুক্তির শর্ত বাংলাদেশ বা রোাহিঙ্গা কারও জন্যই সুবিধাজনক না। কিন্তু একতরফাভাবে মিয়ানমারের জন্য অবশ্যই সহায়ক। মন্ত্রী বাহাদুরের উক্তি থেকে জানা যায়, মিয়ানমার যেভাবে চেয়েছে, চুক্তির শর্ত সেভাবেই লোখা হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয়ের আগের উচ্চারিত কথাবার্তার কোনো ছায়া চুক্তির কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না।
এছাড়াও সবাই জানে মিয়ানমারের অতীত আচরণ ভালো না। প্রতিবেশীর সুবিধার তোয়াক্কা তারা করে না। চুক্তির শর্ত কখনই যথাযথ পালন করেনি। তৃতীয় কোনো পক্ষ সালিশের জন্য না থাকা বা গ্যারান্টি ক্লজ না থাকায় মিয়ানমার চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে। কার্যক্রম স্থবির হয়। বোঝা বাংলাদেশের ঘাড়েই থাকে।
এবারও তাই। নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমাও নাই। তার মানে দীর্ঘকাল টালবাহানার মাধ্যমে বোঝা বাংলাদেশকেই বইতে হতে পারে, তেমন সম্ভাবনাই বেশি। তাদের বাড়িঘর নাই, পুড়ে গেছে অর্থাৎ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ তো পোড়ায় নাই। রোহিঙ্গারা নিজেরাও পোড়ায় নাই। যারাই পুড়িয়ে থাক, রক্ষা করার দায়িত্ব ছিল মিয়ানমার সরকারের। তারা তা করে নাই বরং পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে উৎসাহ জুগিয়েছে, অন্য কথায় বাধ্য করেছে ঘরবাড়ি জায়গা জমি ছেড়ে ভিন্ন দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে জমাতে। নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাইয়ের অজুহাতে কতদিন লাগাবে তার কোনো ঠিক নাই। তাছাড়া জ্বলন্ত বাড়িঘর কে, কবে, কখন দরকারি কাগজপত্র নিয়ে আসে বা আসতে পারে? ১৯৭১ সালে প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি ভারতে শরণার্থী ছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ভারত ছেড়ে আসতে তাদের মাত্র কয়েকদিন লেগেছিল। যার যার নিজের ভিটেমাটি খুঁজে নিয়ে নিজেরাই থিতু হয়েছে। কার্যপ্রণালি বিধি তৈরি হবে এই সমঝোতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা বোঝা কতদিনে সমাধান হবে তা একমাত্র সময়ই জানান দেবে, হয়তো মন্ত্রী মহোদয়ও তা জনেন না।
বলা হচ্ছে বাড়িঘর ঠিক করা পর্যন্ত কোনো শিবিরে তাদের থাকতে হবে। তারা চলাফেরা করবে আগের মতোই। অর্থাৎ তারা রাখাইনে ফিরে গেলেও অবরুদ্ধ শিবিরে থাকতে হবে। কারণ এই নিধন যজ্ঞের আগে স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকার তাদের ছিল না। এখনও থাকছে না। বাড়িঘর জায়গা জমি ফিরে পাওয়া একেবারেই অনিশ্চিত। বাংলাদেশে যদি তাঁবুতে বাস করতে পারে তবে যতদিন না ঘরবাড়ি তৈরি হয় নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় তাঁবুতে বাস করতে কোনো অসুবিধা হওয়ার কারণ নেই। শিবিরে অবরুদ্ধ না থাকলে নিজেরাই ঘরবাড়ি তৈরি তদারক করতে পারবে। ভিন্ন জায়গায় কোনো শিবিরে থাকার দরকার নাই। এই অজুহাতে বাড়িঘর তৈরি হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা মানেই বাংলাদেশের সমস্যা দীর্ঘায়িত হওয়া। বিশ্বের সাহায্য সংস্থাগুলো বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরে যেমন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে তখন তা রাখাইনে করবে।
অবস্থাদৃষ্টে বলা যায় যে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সমর্থন কূটনৈতিকভাবে কাজে লাগাতে পুরোপুরি সমর্থ হয়নি। বাংলাদেশ এখন আর শতভাগ পরমুখাপেক্ষী কিংবা বিদেশের সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল কোনো দেশ নয়। পৃথিবী অবশ্যই বাংলাদেশকে সমীহ করে, গুরুত্ব দেয়। কাজে কাজেই সঠিক ও উপযোগী কূটনীতির দ্বারা রোহিঙ্গা সমস্যার একটি চিরস্থায়ী সমাধানের উপায় বের করা এখন বাংলাদেশের প্রধান কর্তব্য। ভাসানচরে ১০/১২ লাখের মধ্যে গুটিকয় (প্রায় লাখ খানেক) রোহিঙ্গার আবাসের ব্যবস্থা করা কোনোভাবেই সমাধানের উপায় নয়।  বিশ্ববাসীর কাছে ভুল সংকেত দেয়া হবে, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফেরত দেয়ার চাইতে রেখে দিতেই বেশি আগ্রহী। মিয়ানমার এ যাবতকাল পর্যন্ত প্রচার করেছে রোহিঙ্গারা রাখাইন বা আরাকানের মানুষ নয়, বাঙালি। এই সুযোগে তারা বাঙালি ইস্যুটির ওপর বিশেষ জোর দেয়ার অবারিত সুযোগ পাবে। আমরা জানি সুযোগ ছাড়াই তারা কূটনীতিতে অনেকখানি এগিয়ে আছে। আমরা সবকিছুই আমাদের সপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে সমাধানের কথা ভাবছি কিন্তু বাস্তবতা একবারেই উল্টো।  এই সিদ্ধান্ত নেতিবাচক ভবিষ্যৎকেই এগিয়ে আনবে।
কেউ কেউ মত প্রকাশ করছেন যে, একটি বিষয়ের উল্লেখে মিয়ানমার সরকার প্রকারান্তরে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। কীভাবে?  সন্তানসম্ভবা নারীদের সন্তানের পরিচয় বাংলাদেশের আদালত নিশ্চিত করবে এবং সেই আদালতের প্রত্যয়নের দ্বারাই তারা ঐ শিশুকে মিয়ানমারের নাগরিক বলে মেনে নেবে। এই কথার দ্বারা আর যাই বোঝাক অপরাধ স্বীকার  করা বোঝায় না। পুরুষানুক্রমে বসবাসকারী যারা জন্মভূমি থেকে বিতাড়িত হলো বিনা দোষে, তাদের ফেরত নেয়ার সিদ্ধান্তের একমাত্র এখতিয়ার মিয়ানমারের হাতে। যারা দিনেদুপুরে ঘরবাড়ি ছেড়ে কোনোরকমে জানপ্রাণ নিয়ে পালিয়ে বেঁচেছে, তাদের বেলায় বাছবিচারের কত কত শর্ত জুড়ে দিয়েছে। আর এই শিশুদের বেলায় তারা বাংলাদেশি আদালতের কাগজ গ্রহণ করবে কোন যুক্তিতে। শিশুদের গ্রহণ করতে অস্বীকার করলে, করতেই পারে, তখন বাংলাদেশের কিছুই করার থাকছে না। কাল্পনিক কথাবার্তা বলে আত্মতুষ্টির বেশি আর কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য।
রোহিঙ্গারা ক্রমশই আচরণে বেপরোয়া ও অস্থিরতা প্রকাশ করছে। বাংলাদেশি প্রশাসনের সঙ্গে দর কষাকষি করতে শুরু করেছে। দিনে দিনে তা আরও ব্যাপক হওয়ার আশঙ্কা থাকছে।  কিন্তু আজও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার উদ্যোগ বা চেষ্টা করতে পারল না। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও তথ্যপ্রমাণসহ আন্তর্জাতিক আদালতের সহায়তা নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা আশু প্রয়োজন। মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গা নির্যাতনের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও ভিডিও সারাবিশ্বের মিডিয়াতে প্রচারের উদ্যোগও ব্যাপকভাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নেয়া উচিত। তা যত তাড়াতাড়ি করা যায়, ততই বাংলাদেশের জন্য ফলপ্রসূ হবে। এমনিতেই বাংলাদেশে সামাজিক সমস্যার অন্ত নেই। পক্ষান্তরে রোহিঙ্গাদের  কারণে দিন দিন সামাজিক সমস্যা বাড়ছে, বাড়ছে সমস্যার নতুন নতুন বহুমাত্রিকতাও। অদূর ভবিষ্যতে তা নিয়ন্ত্রণের পর্যায়ে নাও থাকতে পারে। আগে থাকতেই সাবধানতা অবলম্বন করা প্রশ্নহীনভাবে জরুরি।
দি¦পক্ষীয় চুক্তি হয়েছে, তা খুবই ভালো কথা। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে- আলোচনা বা অন্যান্য উদ্যোগ মিয়ানমারের মতো পরীক্ষিত দুষ্ট রাষ্ট্রের সঙ্গে ফলপ্রসূ হবে না। জাতিসংঘ তথা বিশ্ব সমাজকে যে কোনোভাবেই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জড়িত রাখার কোনো বিকল্প নেই। তাছাড়া বাংলাদেশের বহুমুখী সুবিধা ছেড়ে রোহিঙ্গারা সহজে এ দেশ ত্যাগ করতে চাইবে না, তেমন সম্ভাবনাও আছে । তার আলামতও ইতোমধ্যেই দৃষ্টিগোচর হতে শুরু করেছে। নাগরিকত্ব মানবিক মর্যাদা স্বীকৃত ও নিশ্চিত হলেই তারা ফিরবে এবং তাই হওয়া উচিত। তা যদি না হয়, কিছুদিন পরেই আবার রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করবে। বিড়াল একবারেই মারতে হবে, বারে বারে লুকোচুরি খেলে দুষ্ট ও শয়তান বিড়াল নিধন অসম্ভব।
কবি ও শিক্ষাবিদ
karimreza9@gmail.com

সাপ?তাহিক পতিবেদন

 মতামত সমূহ
Author : Philip
the best solution to sell Bangladesh to anyone but who dare to buy this with nationalism hassle. Ho! Ho! A country has no capabilities to choose good or bad.
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.