প্রতিভার সংকট কাটাতে যুব গেমস

Print Friendly and PDF

মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেল

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) বর্তমান কমিটির মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা এখন দ্বিতীয় মেয়াদ পার করছেন। প্রথম মেয়াদের সময়ই প্রথমবারের মতো যুব গেমস আয়োজনের কথা বলেছিলেন। সেবার না পারলেও এবার ঠিকই মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় রয়েছে প্রথম বাংলাদেশ যুব গেমসের চূড়ান্তপর্ব। আগামী ১০ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসরের শুভ উদ্বোধন করবেন। আর এ আসর দিয়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার প্রক্রিয়ার শেষধাপে এসে পৌঁছেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। শুরুতে জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল আসর। এরপর বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল যুব গেমস। সতের না পেরুনো খেলোয়াড়দের নিয়ে এবারের আসর থেকে ভালোমানের প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড় পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্তপর্বের সব আলো কেড়ে নিচ্ছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। জমকালো আয়োজনে মনোমুগ্ধকর হওয়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। যুব গেমসের চূড়ান্ত পর্বের প্রায় দুই ঘণ্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে আকর্ষণীয় সব উপদানে। চূড়ান্তপর্বে ২১টি ডিসিপ্লিনে ২৬৬০ জন প্রতিযোগী অংশ নেবেন চূড়ান্ত পর্বে। দু’ঘণ্টা ১০ মিনিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্য এবং অর্জনের ওপর একটি তথ্যচিত্র। জাতীয় সংগীতের পর মাসকট প্যারেড, লেজার শো, যুব গেমসের হাইলাইটস বড় পর্দায় দেখানো হবে। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের মার্চপাস্ট, মশাল প্রজ্বলন, স্টেজ শো এবং আতশবাজি প্রদর্শনী থাকবে। ৯ মার্চ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এএফসি কাপে ঢাকা আবাহনী ও মালদ্বীপের নিউ রেডিয়েন্ট ক্লাবের ম্যাচ থাকায় বাংলাদেশ যুব গেমসের জন্য পরদিন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে ভেন্যু বুঝে নেবে বাংলাদেশ যুব গেমসের আয়োজক বিওএ। আর মাঠ তৈরি না হওয়ায় ৯ মার্চের পরিবর্তে একদিন পিছিয়ে শুরু হবে এবারের আসর।

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিñিদ্র নিরাপত্তা

জমকালো আয়োজনের প্রায় সব উপাদানই থাকবে বাংলাদেশ যুব গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ১০ মার্চ সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত গেমসের উদ্বোধন করবেন। গেমসের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মার্কেট বন্ধ থাকবে। গেমসের বাইরে থাকা সাধারণ চলাচল বন্ধ থাকবে। স্টেডিয়াম এবং স্টেডিয়াম এলাকার বাইরেও থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা । বিশেষ করে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্টেডিয়াম এলাকার আশপাশে বাড়তি নজর থাকবে নিরাপত্তা বাহিনীর। ২১টি ডিসিপ্লিনে আড়াই হাজার ক্রীড়াবিদ যুব গেমসে অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সিরিমনিজ কমিটি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে জমকালো করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্য এবং অর্জনের ওপর তথ্যচিত্র বড় পর্দায় প্রদর্শনের পর বেজে উঠবে জাতীয় সংগীত। মাসকট প্যারেড, লেজার শো, যুব গেমসের হাইলাইটস বড় পর্দায় দেখানো ছাড়াও অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের মার্চপাস্ট, মশাল প্রজ্বলন, স্টেজ শো এবং আতশবাজি থাকবে অনুষ্ঠানে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের গ্যালারি, ভিআইপি বক্স সংস্কার করার কাজ চলছে। মাঠও সংস্কার করা হয়েছে।
 
মাঠে নামার আগে বিশেষ প্রশিক্ষণ
শুরুতে জেলায় এরপর বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে যুব গেমস। দু জায়গাতেই প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসার প্রত্যাশা করছে আয়োজকরা। সে কারণেই চূড়ান্তপর্ব শুরুর আগে অ্যাথলেটদের বিশেষ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিওএ’র উপ-মহাসচিব এবং যুব গেমসের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মিকু জানিয়েছেন, ‘যুব গেমস নিয়ে আমরা বড় আশা করছি। সে কারণেই আট বিভাগীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্যই এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে একই ডিসিপ্লিনের বিভিন্ন বিভাগের খেলোয়াড়দের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়বে। যাতে পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে দল গঠনে ফেডারেশনগুলোর সুবিধা হয়। উদ্দেশ্য সফল হবে বলেই আমার বিশ্বাস।’ গত ৩ ও ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে সেই পর্ব। যেখানে আট বিভাগে একইসঙ্গে প্রশিক্ষণ শুরু হয়। তবে স্কোয়াস, শুটিং ও দাবা এই বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতার বাইরে থাকবে। শুটিংকে আলাদা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই অর্থ দিয়ে তারা নিজেদের মতো প্রশিক্ষণ করবে। ফলে বিওএ’র চূড়ান্ত পর্বের প্রশিক্ষণে থাকছে ১৮টি ডিসিপ্লিন। তারপরও আট বিভাগের অনেকগুলোতেই সেই ১৮ ডিসিপ্লিন অনুপস্থিত। রাজশাহী বিভাগীয় শহরে ১৮ ডিসিপ্লিনেরই প্রশিক্ষণ হবে। চট্টগ্রামে বিভাগীয় শহরে ভারোত্তোলন বাদে বাকি ১৭টি ইভেন্টের প্রস্তুতি অনুষ্ঠিত হয়।

বয়স নিয়ে আগাম সতর্কতা
বয়সভিত্তিক দল নিয়ে আয়োজিত কোন টুর্নামেন্টে বয়স নিয়ে কিছুটা ঝামেলা থাকবেই। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে এবার আগাম সতর্কতা নিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান বিওএ। চূড়ান্ত পর্বে বয়স চুরিসহ অপ্রীতিকর বিষয়গুলো এড়াতে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ক্রীড়াবিদদের সচেতন করতে রাখা হয়েছে ১৫ সদস্যের মেডিকেল টিম। যেন কোনো ক্রীড়াবিদ বয়স চুরি না করতে পারে সে বিষয়ে সদা সতর্ক রয়েছে বিওএ। প্রথমবারের মতো আয়োজিত যুব গেমসকে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন জোয়ারই বলা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য মানসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করতে প্রথমবারের মতো যুব গেমস আয়োজন করছে বিওএ। সারাদেশে একযোগে ডিসেম্বরে শুরু হয় জেলা পর্যায়ের বাছাই। জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আটটি বিভাগের বিভাগীয় প্রতিযোগিতা। নানা ধাপ পেরিয়ে এবার ১০ মার্চ ঢাকায় শুরু হচ্ছে যুব গেমসের চূড়ান্ত পর্ব। এ পর্বে যারা ভালো করবে, সেসব যুব ক্রীড়াবিদকে প্রশিক্ষণের পর দেয়া হবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ। তবে প্রতিযোগিতার শুরুতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে বয়স চুরিসহ নানা অপ্রীতিকর অভিযোগ উঠেছিল। এবার চূড়ান্ত পর্বের আগে সে অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি চায় না বিওএ। এসব বিষয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে শুরু হয়েছে বিভাগীয় দলগুলোর প্রস্তুতি। শুধু সচেতনতাই নয়, বিভাগের বিভিন্ন জেলার প্রতিযোগীদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এই প্রশিক্ষণ ভূমিকা রাখবে বলেই বিশ্বাস।

মিলবে নতুন তারকার দেখা, কাটবে প্রতিভার সংকট
যুব গেমস নিয়ে প্রত্যাশা করাটা বাড়াবাড়ির কোনো বিষয় নয়। তবে আসর শেষে প্রতীয়মান হয়ে যায় কতটা সফলতা পাওয়া গেল। যদিও এখন দেশের তৃণমূলে আর আগের সেই অবস্থা নেই। মাঠ আর এখন তরুণ প্রজন্মকে টানে না। আধুনিক নানা যন্ত্রাদি তাদের মাঠবিমুখ করে দিচ্ছে। সে কারণেই আগের সেই অবস্থা খুঁজে পাওয়া যায় না উপজেলা, জেলা কিংবা বিভাগের খেলায়। সে কারণেই প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ যুব গেমস। তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করাই এই আয়োজনের লক্ষ্য। পাশাপাশি মাঠবিমুখতা থেকে মাঠে ফেরার একটা লক্ষ্যও স্থির করা হয়েছে। তবে প্রতিভা খুঁজতে গিয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের রুগ্ন, জর্জর চেহারা। দেশব্যাপী যুব গেমস আয়োজিত হলেও কয়েকটি জেলা যেন খেলতেই চায়নি। তাদের অনেকটা বুঝিয়ে আয়োজনের জন্য রাজি করানো হয়। গত বছরের ১৮-২৪ ডিসেম্বর দেশের সবকটি উপজেলার অংশগ্রহণে ৬৪টি জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্ব। সেখান থেকে সতের না পেরুনো তরুণ-তরুণীরাই ২১টি ডিসিপ্লিনে পদক জয়ের লড়াইয়ে নেমেছিল। সেখান থেকে ২৩২১০ ক্রীড়াবিদ থেকে বাছাইকৃত ৩৪৭৩ জনকে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলার সুযোগ করে দেয়া হয়। জেলা পর্যায় শেষে এখন দেখা গেছে, দেশের খেলাধুলা কোন পর্যায়ে আছে। যে আটটি বিভাগে যুব গেমসের খেলা হয়েছে তার মধ্যে পাঁচটি বিভাগের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধাই নেই। কেবল অবকাঠামোগত সমস্যাই নয়, অনেক জেলায় কয়েকটি ডিসিপ্লিন হয়নি। বিভিন্ন জেলা বিভাগে দল দিতে পারছে না। এ আসরের মধ্যদিয়ে এসবকিছু কাটিয়ে উঠবে বলেই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও অংশগ্রহণ প্রয়োজন ছিল
নতুন প্রজন্মকে ক্রিকেট ছাড়া বাকি খেলাগুলো তেমন একটা টানে না। তবে একেক জেলায় একেক ধরনের খেলার আধিপত্য থাকে। খেলোয়াড় হওয়ার ইচ্ছাটা যেন ধীরে ধীরে মরতে বসেছে। সে কারণেই দেখা গেছে, জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে খেলোয়াড়ের সংখ্যা যে পরিমাণ থাকার কথা ছিল তা হয়নি। অনেক ডিসিপ্লিন আবার খেলাই হয়নি। আবার বিশেষ কয়েকটি খেলা কয়েকটি জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন কোন খেলা সরাসরি অংশ নেবে চূড়ান্তপর্বে। প্রাথমিকপর্ব দেশের ৬৪টি জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২১টি ইভেন্টের মধ্যে কেবল ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স ও কাবাডিতে বেশি প্রতিযোগী অংশ নিয়েছে। যেখানে ফুটবলে অংশ নিয়েছে ৫১টি, অ্যাথলেটিক্সে ৫৩ এবং কাবাডিতে ৪৭টি জেলা অংশ নিয়েছে। ভলিবল ও ব্যাডমিন্টনেও অংশ নিয়েছিল ৩৭ ও ৪৪টি জেলা। কয়েকটি ডিসিপ্লিন অনেক জেলার আগ্রহ ছিল না। জেলা পর্যায়ের খেলায় বাস্কেটবলে ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশালের কোনো উপজেলা অংশ নেয়নি। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোনো উপজেলা কিংবা জেলা অংশ নেয়নি হকিতে। আরচারিতেও ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রামের কোনো জেলা অংশ নেয়নি। বক্সিং, জুডো, শুটিং, তায়কোয়ান্দো, রেসলিং, ভারোত্তোলন ও উশুতেও সব জেলাকে পাওয়া যায়নি। ভারোত্তোলন, রেসলিং ও শুটিংয়ে মোটে ৫টি জেলাকে পাওয়া গেছে। জুডোতে ৬টি এবং উশুতে অংশ নিয়েছিল ৮টি জেলা। এই পরিসংখ্যানই জেলার খেলার করুণদশা বোঝাতে যথেষ্ট। সেই হতাশাও এবার কাটবে বলে ধারণা।

মশাল জ্বালাবেন আসিফ হোসেন খান
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে জ্বলজ্বল করা তারকাদের মধ্যে অন্যতম বলা যেতে পারে আসিফ হোসেন খানকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক আসরেই আলো ছড়িয়েছেন তিনি। সবচেয়ে বড় সাফল্য পেয়েছেন ২০০২ সালের কমনওয়েলথ গেমসে। ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সেই আসরে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে স্বর্ণ জেতেন তিনি। এরপর সাউথ এশিয়ান গেমসেও বড় সাফল্য পান এই শুটার। এখন খেলা ছেড়ে কোচিংয়ে মনোযোগী হয়েছেন পাবনায় জন্ম নেওয়া আসিফ। তাকেই এবার সম্মানিত করতে যাচ্ছে বিওএ। তার হাতে থাকবে প্রথম যুব গেমসের মশাল। আগামী ১০ মার্চ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই মশাল প্রজ্বলন করবেন বাংলাদেশের কৃতী এ ক্রীড়াবিদ। ১৯ কোটি টাকা বাজেটনির্ভর বাংলাদেশ যুব গেমসের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিবে ২৬৬০ জন ক্রীড়াবিদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দর্শকদের জন্য গ্যালারি উন্মুক্ত করা হবে বিকেল ৪টায়। ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গ্যালারিতে প্রবেশ করতে পারবেন সাধারণ দর্শকরা। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসবেন স্টেডিয়ামে। এরপরই শুরু হবে জমজমাট আয়োজন।  

থাকবে যে সকল ইভেন্ট
আরচারি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, বক্সিং, দাবা, ফুটবল, হ্যান্ডবল, হকি, জুডো, কাবাডি, কারাতে, শুটিং, সাঁতার, টেবিল টেনিস, তায়কোয়ান্দো, ভলিবল, ভারোত্তোলন, কুস্তি ও উশু।
mhrashel00@gmail.com

সাপ?তাহিক পতিবেদন

খেলা
  • ফরিদপুরে এসএমই ব্যাংকিং বিষয়ে আর্থিক সচেতনতামূলক কর্মশালা
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.