কমনওয়েলথ গেমস : শুটিং ও ভারোত্তোলনে পদকের প্রত্যাশা

Print Friendly and PDF

মোয়াজ্জেম হোসেন রাসেল

কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে প্রতি চারবছর অন্তর আয়োজন করা হয় কমনওয়েলথ গেমস। অন্য সব ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও আশা বাঁচিয়ে রেখেছে শুটিং। এবারো তার ব্যতিক্রম না হওয়ারই কথা। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে আগামী ৪-১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে গেমসের ২১তম আসর। ৭১টি দেশের একটি হয়ে এতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ১৯টি ডিসিপ্লিনে হবে ২৭৫ ইভেন্টের লড়াই। যার মধ্যে মাত্র ৬ ডিসিপ্লিনে অংশ নিচ্ছে লাল-সবুজ প্রতিনিধির দল। শুটিং, সাঁতার, বক্সিং, ভারোত্তোলন, কুস্তি ও অ্যাথলেটিক্স ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব করছে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা রয়েছে শুটিংকে ঘিরে। সবার আগে বাংলাদেশের শুটাররা পৌঁছেছে গেমস ভিলেজে। স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে অভ্যস্ত হতেই কিছুটা সময় নিয়ে তাদের সেখানে যাওয়া। বাংলাদেশের একাধিক পদক এসেছে এই ডিসিপ্লিন থেকে। সবশেষ চারবছর আগে স্কটল্যান্ডে গ্লাসগোতে আব্দুল্লাহ হেল বাকি রৌপ্যপদক জিতেছিলেন। এছাড়া নতুন করে পদকের আশা জেগেছে ভারোত্তোলনে। অংশ নেওয়া বাকি ডিসিপ্লিনগুলোতে আশার আলো দেখানোর মতো খেলোয়াড় এখনো তৈরি হয়নি বাংলাদেশে। এর আগে ১৯৭৮ সাল থেকে ২০১৪ সালের আসরে মোট আটবার অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২টি করে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জপদক। যার সবগুলো পদকই শুটিংয়ের কল্যাণে অর্জিত হয়েছে। যদিও ১৯৮২ ব্রিসবেন ও ১৯৮৬ এডিনবার্গে খেলেনি বাংলাদেশ। পদক জয়ের শুরুটা হয়েছিল ১৯৯০ সালে অকল্যান্ডে আতিকুর রহমান নিনি-আতিকুর রহমান পিস্তলের দলীয় ও ২০০২ ম্যানচেস্টারে আসিফ হোসেন খান ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে স্বর্ণ জিতেছেন। আসিফ ২০০৬ মেলবোর্নে পরের আসরের অঞ্জন কুমার সিংহকে নিয়ে ইভেন্টের দলীয় রুপা জিতেন, ২০১৪ গ্লাসগোতে রাইফেলে রুপা জিতেন আবদুল্লাহ হেল বাকি। এছাড়া ১৯৯০এ সাত্তার-আতিকুর পিস্তলে ও ২০১০ দিল্লি গেমসে আসিফ-বাকি ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ব্রোঞ্জ দুটি জিতেছিলেন।

শুটিংয়ে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যয়
কমনওয়েলথ গেমসে এখনো সকল আশার মূলে রয়েছে শুটিং। বিগত আসরগুলোতে পাওয়া সাফল্য নিয়ে এবারও আশাবাদী হয়েছে বাংলাদেশ। গুনে গুনে দীর্ঘ ১৬ বছর আগে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার কমনওয়েলথ গেমস শুটিংয়ের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে স্বর্ণ জিতে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন আসিফ হোসেন খান। পরের আসরে মেলবোর্নে তিনি এই ইভেন্টের জুটিতে রৌপ্যপদক জিতলেও আসিফেরই শুধু নয়, বাংলাদেশের একমাত্র সাফল্যটি এখন পর্যন্ত ম্যানচেস্টারেই। যদিও তার উত্তরসূরি লাল-সবুজদের আরেক কৃতী শুটার আবদুল্লাহ হেল বাকি সর্বশেষ গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে ১০ মিটারেই রুপা জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেও আসিফকে ছাড়িয়ে যেতে পারেননি। বলা যায় বরাবরই কমনওয়েলথ গেমস শুটিংয়ে বাংলাদেশ ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করে। এবারও এর ব্যতিক্রম কিছু ভাবছে না বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) এবং বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন। তাদের আশা আসন্ন গোল্ড কোস্ট কমনওয়েলথ গেমস থেকে শুটিং দেশের জন্য আবারও পদক জেতবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা, ‘সাফল্যের আশা এবার শুটিংয়ে বেশি। সে কারণে ফেডারেশনের দাবি অনুসারে সবচেয়ে বড় দলটিই পাঠানো হয়েছে গোল্ড কোস্টে। পাশাপাশি বাকিরাও ভালো করার চেষ্টা করবে বলে আমার আশা। কারণ ছয় ডিসিপ্লিনের সেরা ক্রীড়াবিদদেরই আমরা অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে পাঠাচ্ছি’। পদক জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ২৪ মার্চ রাতে রওনা হয়ে পরদিন ভেন্যুতে পৌঁছে অনুশীলন শুরু করে। ফেডারেশন এবার পদক জয়ের জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। শুটিংয়ের প্রতিটি স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জের বোনাস যথাক্রমে ১০, ৭ ও ৩ লাখ টাকা। আর বিওএ’র আন্তর্জাতিক গেমসে পদকজয়ীদের বোনাস স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জের জন্য যথাক্রমে ১০, ৫ ও ৩ লাখ টাকা দেওয়ার কথা আবারও নতুন করে বললেন বিওএ মহাসচিব। সম্ভাবনাময় শুটারদেরই সবার আগে অস্ট্রেলিয়া পাঠানো হয়েছে। ১৩ শুটারের সঙ্গে ৩ কোচ, ২ কর্মকর্তা গেছেন। এখানে আবারও কর্মকর্তা সাজিয়ে দলের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইন্তেখাবুল হামিদ অপুর মেয়ে আমিরা হামিদকে। জানা গেছে, কর্মকর্তা হিসেবে তার অ্যাক্রিডিটেশন হলেও চেষ্টা চলছে শুটার বানানোর!

ভারোত্তোলনে এবার পদকের আশা

সর্বশেষ দক্ষিণ এশিয়ান গেমস (এসএ) থেকে মাবিয়া আক্তার সীমান্ত’র স্বর্ণপদক জয়ের পরই মূলত ভারোত্তোলন নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। এবার কমনওয়েলথ গেমসেও এই খেলোয়াড়কে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। যদিও নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশে ভারোত্তোলন অতি পরিচিত খেলাগুলোর একটি। শুরুর সময়টাতে সেভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য না পেলেও ধীরে ধীরে পদক জিতেছে খেলোয়াড়রা। যার সর্বশেষ উদাহরণ ২০১৬ দক্ষিণ এশিয়ান (এসএ) গেমসে স্বর্ণপদক জিতেছে মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। আসরে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণপদক ছির এটি। এর আগে ২০১০ সালে ঢাকা এসএ গেমসেও স্বর্ণপদক জিতেছিলেন হামিদুল ইসলাম। এর আগে বারবার স্বর্ণজয়ের স্বপ্ন দেখলেও তা বাস্তবে রূপ লাভ করতে পারেনি। বলাবাহুল্য, ভারোত্তোলনেও দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রেষ্ঠত্বের জায়গায় প্রথম স্বর্ণপদক জয় ছিল এটি। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের। ১৯৭৭ সালে এফিলিয়েটেড হয় ফেডারেশনটি। এরপর জন্ম দিয়েছে একের পর এক ভারোত্তোলক। যারা দেশে ও দেশের বাইরে আলোকিত করেছেন, তুলে ধরেছেন লাল-সবুজ পতাকা। নানা চড়াই-উৎরাই আর সমস্যা সংকুল সময়কে পেছনে ফেলে এখন সাফল্যের রাস্তায় রয়েছে সম্ভাবনাময় এ খেলাটি। বাংলাদেশের ভারোত্তোলনের ক্ষেত্রে খুব বড় একটা জায়গা করে নিয়েছেন বিদ্যুৎ কুমার রায়। দেশে অত্যন্ত সফল এই ভারোত্তোলক যদিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জিততে পারেনি সোনার মেডেল। দেশের বাইরে অনেক পদকই জিতেছে বাংলাদেশ। এই যেমন থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে ৭০ কেজি ওজন শ্রেণিতে রুপা জিতে ঢাকায় ফিরেছেন মহিলা ভারোত্তোলক ফাহিমা আকতার ময়না। তবে খেলাটিকে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোকিত করেছেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। তাকে যদি ভারোত্তোলনের ‘ব্র্যান্ড’ বলা হয় তাহলে কোনো অংশেই ভুল বলা হবে না। খুব সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন সীমান্ত। এছাড়া মেয়েদের মধ্যে বিভিন্ন সময় ভালো করেছেন মোল্লা সাবিরা সুলতানা, ফাহিমা আক্তার ময়না, জহুরা আক্তার রেশমা, শাহরিয়ার সুলতানা শুচি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে সাফল্যই প্রমাণ করে নিয়মিত পরিচর্যা আর দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলন বড় সাফল্য এনে দিতে পারে। ২০১০ এসএ গেমসে যেমন প্রথম স্বর্ণপদকটি এসেছিল ভারোত্তোলকের হাত ধরে ২০১৬ তেও ঘটেছে একই ঘটনা। এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাবার পালা। এবার পদক জয়ের বিষয়ে মাবিয়া আক্তার সীমান্ত বলেন, ‘প্রস্তুতি যেভাবে নেয়ার ঠিক সেভাবেই নিচ্ছি আমরা। প্রথমবারের মতো পদক জয়ের স্বপ্ন দেখছি। কোচও আমাদের সেভাবেই তৈরি করছেন’।

সাঁতারে কোচের বদলে কর্মকর্তা

সর্বশেষ এসএ গেমসে সাঁতার থেকেই দুটি স্বর্ণপদক জিতেছিলেন মাহফুজা খাতুন শিলা। সে হিসেবে এবার তার কমনওয়েলথ গেমসের দলে জায়গা পাওয়ার কথা। কিন্তু তারই অস্ট্রেলিয়াগামী দলে জায়গা হয়নি। সেখানে এবার মো. আরিফুল ইসলাম, মাহমুদু নবী নাহিদ ও নাজমা খাতুন অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু সারাবছর কোচিং করানো কোরিয়ান কোচ পার্ক তে গুন আসর শুরুর মাসখানেক আগে থেকেই নেই বাংলাদেশে। উল্টো কর্মকর্তা রেজাইল হোসেন বাদশাকে পাঠানো হয়েছে। সে হিসেবে দলের সাফল্য পাওয়া নিয়ে তাই দেখা দিয়েছে সংশয়। ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বাদশা এবার চেষ্টা চালাচ্ছেন কোচের দায়িত্ব পালন করার। এর আগে অংশগ্রহণকারী জাতীয় দলের হয়ে নৌবাহিনীর তিন কৃতী সাঁতারুরা নৌ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সভাপতি ও নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।  কোরিয়ান কোচ পার্ক দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত রয়েছেন বাংলাদেশের সাঁতারের সঙ্গে। ২০১৬ সালে গুয়াহাটি-শিলংয়ে অনুষ্ঠিত এসএ গেমসে তার প্রশিক্ষণেই এসেছিল দুটি সোনার পদক। এবারের কমনওয়েলথ গেমসকে সামনে রেখে তার অধীনেই চলছে প্রশিক্ষণ। যে কোচ দল তৈরি করলেন, তাকে বাদ দিয়ে ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ কেন যাবেন, সে প্রশ্ন উঠাটা স্বাভাবিক। গত অলিম্পিকেও একই কাজটি করেছিল সাঁতার ফেডারেশন। সে সময় কোচকে না পাঠিয়ে সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রফিজ উদ্দিন রফিজ নিজেই গিয়েছিলেন। সে ধারা থেকে এবারও বের হতে পারেনি সাঁতার ফেডারেশন। এ বিষয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম বি মোল্লা সাইফ বলেন, ‘দলের সাথে কোচকে পাঠানো যেতে পারত। একজন ম্যানেজারও দলের সাথে যোগ করা যেত। ফেডারেশনের সিদ্ধান্তেই আমরা রেজাউল হোসেন বাদশাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোচ পাঠালে ভাল হতো। ভবিষ্যতে বিষয়টি ভেবে দেখা হবে’। ১৯৯২ সালে বার্সেলোনা অলিম্পিকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোখলেছুর রহমান নিজের ইভেন্টে ভুল সময়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। তার সঙ্গে সেবার কোচ পাঠানো হয়নি। ২০০৪ সালে ইসলামাবাদ সাফ গেমসে কোচ না পাঠানোয় সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও স্বর্ণ জেতা সম্ভব হয়নি। কোচ পার্ক না তাকায় বিষয়টি সম্পর্কে সাতারু আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কোচ হিসেবে পার্ক তে গুন আমাদের সাথে অনেকদিন থেকেই রয়েছেন। কমনওয়েলথ গেমসের প্রস্তুতিও তার অধীনে শুরু হয়েছিল। কিন্তু শেষ সময়ে তাকে পাওয়া না যাওয়ায় আমাদের প্রস্তুতিটা সেভাবে হয়নি। এর আগে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে অংশ নিয়েছি আমি, তার আগে শ্রীলঙ্কায় বয়সভিত্তিক সাঁতারে। সলিডারিটি গেমসে সেমিফাইনালে উঠেছিলাম, শ্রীলঙ্কায় দুটি সোনা জিতি। ঢাকায় এবারের যুব গেমসেও পাঁচটি সোনা জিতেছি। আশা করি ভালো কিছুই করতে পারব’।

অন্যদের শুধুই অংশগ্রহণ

অলিম্পিক গেমস, এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ডিসিপ্লিনই অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে দেখা যায়। এবারও শুটিংয়ে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এর বাইরে নতুন করে স্বপ্ন দেখা হচ্ছে ভারোত্তোলন নিয়ে। কিন্তু এই ডিসিপ্লিনটা কতটা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে সেটা সময়ই বলে দেবে। পদক জিততে না পারলেও গেমসে ভালো করার প্রত্যাশা নিয়েই যাচ্ছেন বাকি পাঁচ ডিসিপ্লিনের অ্যাথলেটরা। পাঁচ ভাগে বাংলাদেশের ছয় ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা গোল্ড কোস্ট গেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে পাদপ্রদীপের আলো ছিল না শুটিংয়ের ওপর। ১৯৯০ সালে অকল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে অখ্যাতই ছিল এ ডিসিপ্লিন। ওই অবস্থায় আতিকুর রহমান ও আবদুস সাত্তার নিনি জুটির স্বর্ণপদক জয় ছিল বড় চমক। এ সাফল্য একটি অধ্যায়ের সূচনা করে। সাঁতার, বক্সিং, রেসলিং, অ্যাথলেটিক্স ও ভারোত্তোলন চাইছে নিজেদের টাইমিংটাকে বাড়িয়ে নিতে। যা পরবর্তী বৈশ্বিক আসরে কাজে লাগাতে পারবে।

কমনওয়েলথ গেমসে বাংলাদেশ দল

শুটিং : আবদুল্লাহ হেল বাকি, মো. রাব্বি হাসান মুন্না, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মো. শোভন চৌধুরী, শাকিল আহমেদ, রিয়াসাতুল ইসলাম, সৈয়দা আতকিয়া হাসান, আরদিনা ফেরদৌস, আরমিনা আশা, সুরাইয়া আক্তার, উম্মে জাকিয়া সুলতানা, শারমিন শিল্পা ও আমিরা হামিদ।
কোচ ও কর্মকর্তা : মার্কো সকিচ, ক্লাভস জন ক্রিসটেনসন, গোলাম শফিউদ্দিন খান, হোসনে আরা বেগম ও ইন্তেখাবুল হামিদ অপু।
সাঁতার : মো. আরিফুল ইসলাম, মোঃ মাহমুদুন নবী নাহিদ ও মিস নাজমা খাতুন।
কর্মকর্তা : মো. রেজাউল হোসেন বাদশা।
অ্যাথলেটিকস : মেজবাহ আহমেদ ও শিরিন আক্তার।
কোচ : খুরশিদা খাতুন।
বক্সিং : মো. রবিন মিয়া, মোহাম্মদ আল আমিন।
কোচ : কাজি আবদুল মান্নান।
ভারোত্তোলন : শিমুল কান্তি সিংহ, জহুরা খাতুন, মাবিয়া আক্তার সীমান্ত, ফুলমতি চাকমা, ফাহিমা আক্তার ময়না।
কোচ : বিদ্যুৎ কুমার রায়।
রেসলিং :  শিরিন সুলতানা ও মোহাম্মদ আলী আমজাদ।
কর্মকর্তা : মোহাম্মদ তাবিবুর রহমান পালেয়ান।

কোন খেলার কোন ইভেন্ট
ডিসিপ্লিন    প্রতিযোগী        ইভেন্ট
শুটিং    আবদুল্লা হেল বাকি    ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশন
                    ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন
        মো. রাব্বি হাসান মুন্না    ১০ মিটার এয়ার রাইফেল
        মো. আনোয়ার হোসেন    ৫০ মিটার পিস্তল
                    ১০ মিটার এয়ার পিস্তল
        মো. শোভন চৌধুরী    ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশন
                    ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন
        শাকিল আহমেদ        ৫০ মিটার পিস্তল
                    ১০ মিটার এয়ার পিস্তল
        রিয়াসাতুল ইসলাম    ১০ মিটার এয়ার রাইফেল
        সৈয়দা আতকিয়া হাসান    ১০ মিটার এয়ার রাইফেল
        আরদিনা ফেরদৌস    ১০ মিটার এয়ার পিস্তল
        আরমিনা আশা        ১০ মিটার এয়ার পিস্তল
        উম্মে জাকিয়া সুলতানা    ১০ মিটার এয়ার রাইফেল
        শারমিন শিল্পা        ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশন
                    ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন
        সুরাইয়া আক্তার        ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশন
                    ৫০ মিটার রাইফেল প্রোন   
ডিসিপ্লিন    প্রতিযোগী        ইভেন্ট
সাঁতার    মো. আরিফুল ইসলাম    ১০০ মিটার ব্রেস্টস্টোক
                    ৫০ মিটার ব্রেস্টস্টোক
        মো. মাহমুদুন নবী    ৫০ মিটার বাটারফ্লাই
                    ১০০ মিটার বাটারফ্লাই
        মিস নাজমা খাতুন    ৫০ মিটার ফ্রি-স্টাইল
                    ৫০ মিটার বাটারফ্লাই
ডিসিপ্লিন    প্রতিযোগী        ইভেন্ট
বক্সিং        মো. রবিন মিয়া        পুরুষ ৬০ কেজি
        মো. আল আমিন        পুরুষ ৬৪ কেজি
ডিসিপ্লিন    প্রতিযোগী        ইভেন্ট
ভারোত্তোলন    শিমুল কান্তি সিংহ    ৬৯ কেজি
        জহুরা খাতুন        ৫৩ কেজি
        মাবিয়া আক্তার সীমান্ত    ৫৮ কেজি
        ফুলমতি চামকা        ৬৩ কেজি
        ফাহিমা আক্তার ময়না    ৭৫ কেজি
ডিসিপ্লিন    প্রতিযোগী        ইভেন্ট
রেসলিং     মো. আলী আমজাদ    পুরুষ ৭৪ কেজি   
        শিরিন সুলতানা        মহিলা ৬৮ কেজি
ডিসিপ্লিন    প্রতিযোগী        ইভেন্ট
অ্যাথলেটিক্স মেজবাহ আহমেদ    পুরুষ ১০০ মিটার
        শিরিন আক্তার        মহিলা ১০০ মিটার
                    মহিলা ২০০ মিটার

mhrashel00@gmail.com

সাপ?তাহিক পতিবেদন

 মতামত সমূহ
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.