ফুটা ট্যাংকি ও দায়মুক্তির সচল যাত্রা -শুভ কিবরিয়া

Print Friendly and PDF

শিক্ষার উন্নতি হচ্ছে এই কৃতিত্ব প্রচার  নিয়ে আমাদের কর্তাব্যক্তিদের ঘুম নেই। স্কুল বাড়ছে, শিক্ষক বাড়ছে, অবকাঠামো বাড়ছে, বিনিয়োগ বাড়ছে সুতরাং আর কী চাই? প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে, তা দিয়েই পরীক্ষা চলছে, আবার জিপিএ-৫ এর বহরও বাড়ছে। সুতরাং আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর নিয়ত বাক বাকুম অবস্থা। তিনি বরং ক্ষিপ্ত, কেন মিডিয়া সরকারের এসব উন্নয়ন দেখে না! কেন মিডিয়া শুধু প্রশ্ন ফাঁসকেই বড় করে আলোচনায় আনে!
এ নিয়ে অতীতে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। সাপ্তাহিক- নানাসময় এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে যে, শিক্ষার সংখ্যাগত উন্নয়ন বাড়লেও গুণগত মান কমছে। শিক্ষার গুণগত মান শুধু কমছেই না, ভয়ঙ্কর ভাবেই কমছে। নিম্নমানের শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্যিকীকরণ, রাজনীতিকরণ ও দুর্নীতির বিস্তার ঘটায় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে নিম্নমানে আছে। শিক্ষা ব্যবস্থাপনা সর্বনিম্ন রুচির লেবেলে আটকে গেছে। তথাকথিত উন্নয়ন ফাঁদে খাবি খাচ্ছে শিক্ষার সার্বিক মান। সরকার এসব কথা মানতে নারাজ, স্বীকার করতেও অনীহ।
এসব বিষয়ে গবেষণা খুব একটা হয়নি। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এ বিষয়ে কিছু তথ্য উঠে এসেছে, যা এতদিনের আশঙ্কাকেই সত্য প্রমাণিত করেছে।

০২.
গবেষণার ফলাফল নিয়ে আলোচনার আগে একটা নৈতিক প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। আমাদের শিক্ষার্থীরা যে শিক্ষকের কাছে পাঠ নিচ্ছে, তাদের তারা কী চোখে দেখে? স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কি তাদের শিক্ষকদের আদর্শস্থানীয় ভাবে? শিক্ষকদের কি তাদের  অনুকরণীয় বলে মনে হয়? নাকি শিক্ষকের কথা মনে হলেই তাদের চোখে ভেসে ওঠে দলদাস একশ্রেণির অনাদর্শিক মানুষের চেহারা?
বাজারে চালু মত হচ্ছে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের দিক থেকে শিক্ষকদের অবস্থান নিম্নগামী। হালে সেটি গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি একটি জরিপের ফলাফল বলছে, শিক্ষার্থীরা  নৈতিকতার ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষককে অনুকরণীয় হিসেবে গ্রহণ করে না। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সকল প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই এখন আর নৈতিকতার ক্ষেত্রে নিজের শিক্ষককে আদর্শ বা অনুকরণীয় মনে করে না।
‘ছাত্ররা শিক্ষকদের নৈতিকতা ও সততার উদাহরণ হিসেবে দেখতে চায়, কিন্তু বর্তমান সমাজে আশা করা যায় না’ শীর্ষক জরিপে অংশগ্রহণকারীদের  কাছ থেকে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলা হয়। জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, প্রাথমিকের ৫০ শতাংশ, মাধ্যমিকের ৬৪ শতাংশ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী বিষয়টির সঙ্গে একমত পোষণ করে। অর্থাৎ অধিকাংশ শিক্ষার্থীই নৈতিকতার ক্ষেত্রে তাদের শিক্ষককে অনুকরণীয় বা আদর্শ বলে মনে করে না। এমনকি ৬৫ শতাংশ অভিভাবক ও প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষকও বিষয়টির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন।
নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চর্চা বিষয়ে জানতে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জরিপ চালায় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযান। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের ১ হাজার ৪০০ শিক্ষার্থী, ৫৭৬ শিক্ষক, ১ হাজার ২৮০ অভিভাবক ও স্কুল কমিটির সদস্যের মতামত নেয়া হয়।
উল্লেখ্য, জরিপে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ‘বিদ্যালয়ের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ : শিক্ষায় প্রাণের উজ্জীবন’ শীর্ষক এডুকেশন ওয়াচ-২০১৭ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে গণসাক্ষরতা অভিযান। ০৯ মে ২০১৮ বুধবার রাজধানীর এলজিইডি মিলনায়তনে প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয়।
এই জরিপের ফলাফলের কতগুলো দিক খুব লক্ষণীয়:-
এক. শিক্ষার্থীরা যত উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছে, ততই বেশি সংখ্যায় তারা বুঝতে পারছে একদল অনানুকরণীয় আদর্শহীন মানুষ তাদের পাঠদান করছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও এ বিষয়ে একমত।
দুই. বর্তমানে ১০ লাখ মানুষ শিক্ষকতা পেশায় জড়িত। এ সংখ্যা আগামী এক দশকে দ্বিগুণ হবার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষকরা শ্রেণি কক্ষে ও শ্রেণি কক্ষের বাইরে লাখো শিশু-কিশোরের জীবনকে স্পর্শ করেন। যদি শিক্ষকদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজনও দৃঢ়তা, প্রেরণা ও নৈতিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে শিক্ষার্থীদের পথ দেখান, তাহলে বড় পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টো ঘটনা।

০৩.
শিক্ষাক্ষেত্রে এই বিপুল ক্ষতি সরকার স্বীকার করুক আর না করুক ব্যাংকিং খাতে এরকম ক্ষতি এখন চোখে দেখা যাচ্ছে। ব্যাংকিং বা আর্থিক খাতের প্রভাব সরাসরি যাদের উপরে পড়ছে সেই অংশীজন ব্যবসায়ী সমাজও আজকাল মুখ খুলছেন। সেরকমই এক অভিজ্ঞতার খবর এসেছে মিডিয়ায়।
বাজেট প্রণয়নের আগে অর্থমন্ত্রী অনেকের সঙ্গে বাজেট প্রসঙ্গে আলোচনা করেন। ‘কেমন বাজেট চাই ২০১৮-১৯’ শিরোনামে এবার এরকম একটি আলোচনা হয়ে গেলো রাজধানীর এক হোটেলে ৮ মে ২০১৮ মঙ্গলবার রাতে বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভি আর বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) উদ্যোগে। সেখানে শিল্প ও বাণিজ্য জগতের অনেক রথি মহারথি কথা বলেছেন, তাদের মতামত দিয়েছেন। সেখানেই মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি নিহাদ কবির বেসরকারি একটি ব্যাংককে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘চারটি রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক নিজেরাই অর্থকষ্টে আছে। অথচ তাদের বলা হয়েছে বেসরকারি ব্যাংকটিকে টাকা দিতে। আমরা ফুটা ট্যাংকিতে পানি ঢেলে যাব? আর সেই পানি অন্যত্র প্রবাহিত হবে? এটা আমরা চাই না।’
এমসিসিআই-এর সভাপতির এই উপলব্ধি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেননা রাষ্ট্র যতই উন্নয়নের দাবি করুক না কেন, সুশাসন ও গুণগত মান যদি নিশ্চিত করা না যায় তবে তার সুফল দেশের অধিকাংশ জনগণের কাছে যায় না। ফুটা ট্যাংকিতে পানি ঢাললে তা বাইরে পড়বেই। তাতে বিশেষ কিছু মানুষের, যারা ক্ষমতার কাছে থাকেন, তারা সুবিধা পেলেও, ক্ষতির মুখে পড়েন দেশের বিস্তর জনগণ। তাই জরুরি কাজ হচ্ছে, ট্যাংকির  ফুটাটা বন্ধ করা। তারপর, যারা ট্যাংকি ফুটা করে জনগণকে ক্ষতির মুখে ফেলছেন, তাদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী। বরাবরের মতোই এসব কথা খুব একটা আমলে নেন নাই তিনি বরং আর্থিক খাতের চলমান অনৈতিকতা কাটাতে একটা ব্যাংকিং কমিশন গঠন করবেন বলে জানিয়েছেন। সেই কমিশন যে সুপারিশে দেবে  সেই অনুযায়ী ভবিষ্যতের নতুন সরকার কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে দেশবাসীকে তিনি আরেকটা যন্ত্রণার খবর দিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী জানান, ‘আগে থেকেই সাবধান করে দিচ্ছি, বিদ্যুতের দাম বাড়বে। কারণ যে রসদ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, সেগুলোর দাম বেড়ে গেছে।’

০৪.
বিদ্যুতের দাম নিয়ে আলোচনাটা যখন উঠছে তখন সেই পুরনো প্রশ্নই বারবার ফিরে আসছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ছে কেন? সরকারি ভাষ্য, অর্থমন্ত্রীর বরাতে জানা যাচ্ছে, ‘যে রসদ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, সেগুলোর দাম বেড়ে গেছে।’ এখন পাল্টা প্রশ্ন, রসদের দাম বাড়ছে কেন? বা এমন রসদই ঠিক করা হলো কেন, যার বাড়তি মূল্যচাপ সইতে হবে জনগণকে? কিংবা বিদ্যুৎ উৎপাদনে এমন জনবিরোধী নীতি নেয়া হলো কেন, যাতে বিদ্যুতের দাম শুধু বাড়তির দিকেই থাকবে। অথচ একসময় বলা হয়েছিল, চড়া দামের রেন্টাল-কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে। এই পরিস্থিতি শেষে একসময় বিদ্যুতের দাম কমবে, এই ছিল সরকারের প্রতিশ্রুতি। বলা বাহুল্য, সরকার শুধু সেই প্রতিশ্রুতিই ভঙ্গ করেনি বরং যে দায়মুক্তির আইনে ভর করে বিদ্যুৎ খাতের সুশাসনবিরোধী এই লঙ্কাকা- ঘটানো হয়েছিল সেই ‘দায়মুক্তির আইনের’ মেয়াদে আরও বাড়িয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের খবর হচ্ছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দায়মুক্তির মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রথম আলো, ৯ মে ২০১৮, বুধবার জানাচ্ছে, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০-এর মেয়াদ আবার বাড়ানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশেষ বিধানের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। এই বিশেষ বিধানটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তির বিধান হিসেবে পরিচিত।
আইনটির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবে অর্থ, বাণিজ্য, জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হয়েছে। এখন আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করলে তা পাঠানো হবে জাতীয় সংসদে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, আইনটির বর্তমান মেয়াদ আগামী অক্টোবরে শেষ হবে। এরপর আরও তিন বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন তারা।
প্রচলিত দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লাগে। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রকল্প খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা দরকার- মূলত এই যুক্তিতে ২০১০ সালে দুই বছরের জন্য বিশেষ আইনটি সংসদে পাস করা হয়। এর ফলে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের পরিবর্তে পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
এই আইনের আওতায় আলোচিত-সমালোচিত ভাড়াভিত্তিক দ্রুত বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সরকার দাবি করে, এই আইনের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন গতিশীল করা সম্ভব হয়েছে। ২০০৯ সালের সংকট ও দৈন্যদশা থেকে বিদ্যুৎ খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।
২০১০ সালে পাস হওয়া আইনটির মেয়াদ ২০১২ সালে শেষ হওয়ার পর আরও দুই বছর, অর্থাৎ ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয় দফায় চার বছর মেয়াদ বাড়িয়ে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়। আগামী ১১ অক্টোবর ২০১৮ সেই মেয়াদও শেষ হচ্ছে।
এই আইনের বিশেষ বিধান হলো ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাবে। এই আইনের অধীন কৃত বা কৃত বলে বিবেচিত কোন কাজ, গৃহীত কোন ব্যবস্থা, প্রদত্ত কোন আদেশ বা নির্দেশের বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতের নিকট প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।’

০৫.
সরকার বলছে, তারা উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য গতিতেই চলছে। বাস্তব তথ্য বলছে শিক্ষা খাত, ব্যাংকিং খাত, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত চলছে ‘ফুটা ট্যাংকি আর দায়মুক্তির সংস্কৃতির’ ওপর ভরসা করে। এই সুশাসনহীন নীতির ওপর ভর করা উন্নয়ন জনগণকে কতটা টেকসই উন্নয়ন দেয় দেখার বিষয় এখন সেটাই।
পুনশ্চ : লেখাটা শেষ করছি ফেসবুকে সাংবাদিক হাসান মামুনের স্ট্যাটাসে দেয়া একটা গল্প উল্লেখ করে। তিনি লিখেছেন, ‘উন্নয়ন ও সুশাসনের সম্পর্ক বোঝাতে গিয়ে মূসা ভাই (প্রয়াত সাংবাদিক এবিএম মূসা) যুগান্তরের একটা এডিটরিয়াল মিটিংয়ে আমাদের বলেছিলেন, ধরো তুমি অনেক খরচ কইরা একটা সুন্দর রাস্তা বানাইলা, সেইটা ঘটা কইরা উদ্বোধনও করলা, কিন্তু কিছুদিন যাইতে না যাইতে দেখা গেল, সেই রাস্তায় সন্ধ্যার পরই ছিনতাই আর ডাকাতি হয়; মানুষ ওইটা আর ব্যবহার করতে পারে না। তাহলে এইটা কী ধরনের উন্নয়ন হইল?’

সাপ?তাহিক পতিবেদন

এই সময়/রাজনীতি
  • টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক
  •  মতামত সমূহ
    পিছনে 
     আপনার মতামত লিখুন
    English বাংলা
    নাম:
    ই-মেইল:
    মন্তব্য :

    Please enter the text shown in the image.