মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কতজনের দায়িত্ব নেবেন? -গোলাম মোর্তোজা

Print Friendly and PDF

‘বন্দুকযুদ্ধে’ একরামুলের নিহত হওয়া, অডিও ক্লিপ ফাঁসের পর প্রশ্নের মুখে থাকা মাদকবিরোধী অভিযান আরও বড় রকমের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। একরামুলের রাজনৈতিক পরিচয় সামনে আসার পর সরকার ও আওয়ামী লীগের ভেতরেও তোলপাড় শুরু হয়েছে। ১৩ বছর টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি, তিনবারের কমিশনার একরামের অর্থ-সম্পদ নেই। স্ত্রী বলছেন, কন্যাদের নিয়ে আমি কী করব? একরামুল তো কিছু রেখে যাননি। যেহেতু একরামুল আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন, রাষ্ট্র বা প্রধানমন্ত্রী হয়তো উদ্যোগী হয়ে কিছু করবেন, এমনটা ধারণা করা হচ্ছিল। তৃণমূল এবং জাতীয় নেতারাও তেমন কিছু প্রত্যাশা করছেন। সম্ভবত তেমনটা ঘটতেও যাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিহত একরামুলের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। গণমাধ্যমে সেই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এটা অত্যন্ত ইতিবাচক সংবাদ যে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অসহায় পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নজির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগেও দিয়েছেন। যখন তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকেন না বা ছিলেন না, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি তখনও ছিল।
একরামুল ছিলেন আওয়ামী লীগ দলীয় কাউন্সিলর। তার অবর্তমানে, সম্মতি থাকলে স্ত্রীকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে। একরামুল হকের স্ত্রী কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে, সমস্যার এক ধরনের সমাধান হতে পারে।
যদি তেমনটা না হয়, রাষ্ট্রীয়ভাবে বা প্রধানমন্ত্রী নিজেও হয়তো দায়িত্ব নিতে পারেন একরামের স্ত্রী-কন্যাদের। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত একটি পরিবারের আর্থিক অনিশ্চয়তা হয়তো কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। শোক কাটিয়ে কন্যাদ্বয়ও হয়তো পড়াশোনা করে একদিন প্রতিষ্ঠিত হবেন।
যদিও তারা কোনোদিন তাদের ‘প্রিয় আব্বু’কে ফিরে পাবেন না। ‘আব্বু’ বলে ডাকতে পারবেন না। হৃদয়ের এই হাহাকার, ক্ষরণ কোনো কিছুতে দূর হয় না, দূর করার ক্ষমতা কারও থাকে না।
রাষ্ট্র বা প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নিয়ে একটি পরিবারের আগামী দিনের বেঁচে থাকার অনিশ্চয়তা দূর করতে পারেন। যা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

২.
গত প্রায় এক মাসে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের সংখ্যা প্রায় ১৫০ জন। একরামুল ১৫০ জনের একজন। সকল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একজন একরামুল। বাকি ১৪৯ জন নিয়ে কোনো আলোচনায় নেই। ১৫০ শুধু সংখ্যা মাত্র, যা প্রতিদিন বাড়ছে। তাদের কয়েকজনের কথা বলছি।
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত চট্টগ্রামের হাবিবুর রহমান, ১৫০ জনের একজন। মোশাররফ পুলিশের সোর্স। সে হাবিব শেখের পরিবর্তে হাবিবুর রহমানকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে ধরিয়ে দেয়। হাবিবুর রহমানের স্ত্রী মর্জিনা, মেয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা রহমান ইভা, ছেলে আবদুল আলী রাব্বি। পরিবারে মা-বাবা, শ্বশুর-শাশুড়িসহ আরও কয়েকজন আছেন। পরিবারের মূল উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন হাবিবুর রহমান। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার পর, সব পরিচয় প্রকাশিত হলেও পুলিশ বলছে হাবিবুর রহমান মাদক ব্যবসায়ী। ভুল তথ্য দেয়ায় সোর্স মোশাররফও ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।
ধরে নিলাম, হাবিবুর রহমান সম্পর্কে দেয়া পুলিশের বক্তব্যই সঠিক।
কিন্তু এখন এই পরিবারটির অবস্থা কী হবে? ভাবতে পারেন তাদের অসহায়ত্বের কথা? প্রশ্ন হলো, ভাববেন কে!
মেয়ে ইভার যদি পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, তার জীবনের পরিণতি কী হবে? ছেলে স্কুল বাদ দিয়ে কী করবে? শান্ত-ভদ্র মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠবে, না পাড়ার বখাটে ছেলে হবে? নাকি যে অপবাদ দিয়ে তার বাবাকে হত্যা করা হলো, নিজে তা হয়ে উঠবে?
যদি তা হয়, দায় কার? হঠাৎ করে অন্ধকারে ডুবে যাওয়া স্ত্রী-পুত্র-কন্যা, কে কী করবেন, কার পরিণতি কী হবে- জানি না। তবে ভালো কিছুর সম্ভাবনা ক্ষীণ, বুঝতে তো বুদ্ধিজীবী হওয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না।
সাতক্ষীরার আবদুল আজিজ একজন কৃষক। মাদক ব্যবসায়ী পরিচয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। যতদূর জানা গেছে এক্ষেত্রে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে, সোর্স ভুল তথ্য দিয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের ঘটনা ঘটিয়েছে।
আবদুল আজিজেরও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বৃহত্তর পরিবার আছে। আবদুল আজিজ জমিজমা চাষ- দেখাশোনা করে সংসার চালাতেন।
‘বন্দুকযুদ্ধে’ দিনাজপুরে নিহত হয়েছেন আবদুস সালাম। সালাম মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিল। তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম, একমাত্র মেয়ে গুলশান বেগমের বয়স ১৩ বছর। গুলশান ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। আবদুস সালাম ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত রুহুলের বাড়ি টাঙ্গাইল। দরিদ্র পরিবারের সন্তান রুহুল ছোট আকারের মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিল। স্ত্রী রাশেদা আক্তার এবং ছয় মাস বয়সী পুত্র সন্তানকে নিয়ে ছিল তার সংসার। যা কিছু আয় রুহুলই করতো।

৩.
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১৫০ জনের অনেকেই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এর মধ্যে মাদক চোরাচালানি বা বিক্রেতা আছেন।
 হয়তো তিনি ইয়াবা বা মাদক ব্যবসা করে, চাল-ডাল কিনে বাড়িতে ফিরতেন। অনেকেরই পরিবারের সদস্যরা তা জানতেনও। কারও কারও পরিবার হয়তো জানতেন না।
 শিশুসন্তানরা নিশ্চয়ই জানতেন না, তার বাবা কোন প্রক্রিয়ায় অর্থ উপার্জন করে খাবার কিনে এনেছেন। হয়তো ইয়াবা বিক্রি করে সন্তানের দুধ কিনে আনতেন। ছেলেমেয়ের স্কুলের বেতনও হয়তো সেই উৎস থেকেই আসত।
ইয়াবা বিক্রেতা বাবা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন, শিশুসন্তান আছে, আছেন স্ত্রী, কারও কারও বাবা-মা, ছোট ভাইবোন। তারা এখন কী করবেন, কীভাবে চলবেন? বাড়িতে চাল-ডাল আসবে কীভাবে? শিশু সন্তানের দুধ, ছেলেমেয়ের পড়াশোনার খরচের কী হবে?
একটি প্রসঙ্গ এক্ষেত্রে আসবে, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মাদক চোরাচালানি বা বিক্রেতারা কী পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করতেন? তাদের কী অন্যদের মতো ঘর-সংসার ছিল বা থাকে? তাদের সন্তানরা কী স্কুলে যায়?
প্রথমত: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যারা নিহত হচ্ছেন তারা সবাই মাদক চোরাচালানি বা মাদক ব্যবসায়ী বা মাদকাসক্ত নয়।
দ্বিতীয়ত : ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত তালিকায় যারা ইয়াবা চোরাচালানি বা বিক্রেতা তাদের প্রায় সবারই স্ত্রী- সন্তান আছে। তারা সবাই যে স্ত্রী-সন্তানের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করতেন, তা নয়।ইয়াবা বিক্রি করতেন, জুয়া খেলতেন কেউ কেউ। তবে দিন শেষে ২ কেজি চাল, সন্তানের দুধের ব্যবস্থাও তিনিই করতেন। স্কুলেও যান অনেকের সন্তান, হয়তো বেশি দূর পর্যন্ত পড়াশোনা করেন না।
পরিবারে আছে নানা অশান্তি।
পরিবারের সদস্যরা জেনেও এসব ইয়াবা বা মাদক ব্যবসায়ীকে এ পথ থেকে ফেরানোর উদ্যোগ নেননি, দায় আছে স্ত্রী-সন্তান-পরিবারের সদস্যদেরও, এমন অভিযোগও করেন অনেকে। অভিযোগ অসত্য নয়। সমস্যা হলো আমরা কখনো কখনো বাস্তব পারিপার্শ্বিকতা উপেক্ষা করে, ইউটোপিয়ান কিছু প্রত্যাশা করি। যে সমাজে সন্ত্রাসী গডফাদার বা ইয়াবা স¤্রাট হয়ে, ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছানো যায়। যে সমাজে বড় কর্তারা সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা দুর্নীতির অর্থে সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনা করান, বেড়াতে নিয়ে যান, শিক্ষা জীবনেই বিদেশে সম্পদের মালিক করে দেন। এসব সন্তান, স্ত্রী, পরিবারের অন্য সব সদস্যই জানেন, অবৈধ আয় দিয়ে বড় কর্তা এসব করছেন।
যে যত বেশি অন্যায়-দুর্নীতি করেন, সমাজে তার দাপট-প্রভাব তত বেশি। স্ত্রী-সন্তান-পরিবারের সদস্যরা তা উপভোগ করেন, গর্ববোধ করেন। বাবা-মা, সন্তান-স্ত্রী কারও ভেতরে অপরাধবোধ বা অনুশোচনা তৈরি হয় না, দু’একটি ব্যতিক্রম ছাড়া। সেই সমাজে একজন মাদক চোরাচালানির পরিবারের কাছে আমরা প্রত্যাশা করব, নীতি-নৈতিকতা?
পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের অনেকে যেখানে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত!

৪.
এবারের ১৫০ জনসহ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ বা ‘ক্রসফায়ারে’ ২০০৪ সাল থেকে ২০১৮ সালের এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ২ হাজারের অধিক। মোট সংখ্যার মধ্যে কিছু নিরীহ মানুষ আছেন। অনেকেই আছেন যারা সন্ত্রাসী বা মাদক চোরাচালানি। সমাজের এসব নষ্ট হয়ে যাওয়া মানুষের প্রতি সহানুভূতি জাগ্রত করার জন্যে, এ লেখা নয়। এলেখার উদ্দেশ্য ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতদের পরিবারের সদস্যদের পরিণতি কী হয়, তা ভেবে দেখার জন্যে। এ ক্ষেত্রেও খুব গুরুতর আরেকটি প্রসঙ্গ আসবে। সেটা হলো ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত না হলে, এদের যদি জেলদ- দেয়া হতো, তাহলেও তো পরিবারগুলো অসহায় অবস্থাতেই পড়তেন। পরিবার বা সন্তানদের কথা চিন্তা করে, মাদক চোরাচালানি বা অপরাধীদের কি শাস্তি দেয়া যাবে না? এই প্রশ্নের কোনো সহজ-সরল উত্তর নেই। জেলদ-েও পরিবার বিপদে পড়ে। সেই বিপদে পড়লেও অপরাধের শাস্তি হতে হবে। তবে দু’টোকে একসঙ্গে মিলিয়ে বিনা বিচারে হত্যাকা- চলতে পারে না। এক সমস্যা ভুলপথে সমাধান করতে গিয়ে নতুন বহুবিধ সমস্যার জন্ম দেয়া রাষ্ট্রের কাজ নয়। অবশ্যই তা ভাবতে হবে দেশ পরিচালনারারীদের। প্রশ্ন হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কত জনের কথা ভাববেন, কত জনের দায়িত্ব নেবেন বা নিতে পারবেন?
প্রশ্নটি এভাবে করা যায়, বাংলাদেশ যদি বারো চৌদ্দ লাখ রোহিঙ্গার দায়িত্ব নিতে পারে, নিজ দেশের  হাজার দুয়েক পরিবারের দায় বা দায়িত্ব নিতে পারবেন না কেন, নেবেন না কেন?
বিষয়টি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক করা যাবে। তবে বাস্তবতাটাও জানি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বা বাংলাদেশ রাষ্ট্র সবার দায়িত্ব নেবেন না। দায়িত্ব নেয়ার মতো কল্যাণমূলক রাষ্ট্রীয় চরিত্র বাংলাদেশের নয়।

৫.

কিন্তু পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হওয়ার  প্রেক্ষিতে সমাজে কী ঘটতে পারে? গত ২০ বছরে বিনা বিচারে হত্যাকা- নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। সংখ্যা জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে কোনো গবেষণা হয়নি। কোনো সমাজতত্ত্ব বিশ্লেষক, অধ্যাপক বা কোনো এনজিও-মানবাধিকার সংগঠন, গবেষণা করেননি। ফলে নিহতদের স্ত্রী-সন্তান বা পরিবারের সদস্যদের  পরিণতি কী হয়েছে, তা জানা যায়নি। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে জানা তথ্যের ভিত্তিতে, এই লেখায় সামাজিক আশঙ্কার দিকটি তুলে ধরার চেষ্টা করছি মাত্র।
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতদের অধিকাংশ পরিবার অসহায়-নিঃস্ব হয়ে যায়। খেয়ে না খেয়ে, বড়রা হয়তো কোনোক্রমে বেঁচে থাকেন। শিশুরা? না, সব শিশু মারা যায় না। আহার-অনিদ্রা-অপুষ্টিতে তারাও বেঁচে থাকে, থাকবে।
 শিশুদের বয়স বাড়বে। অভিভাবকহীন এই শিশুরা বড় হয়ে কী হবে? কিশোর বয়স থেকেই ছেলে শিশুরা মাদকাসক্ত বা বিপথে চলে যেতে পারেন। অন্ধকার পথে চলে যেতে পারেন মেয়ে শিশুরা। সম্ভাবনা আছে এসব শিশু বিশেষ করে ছেলে শিশুরা তরুণ হয়ে, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত বাবার চেয়েও বড় মাদক ব্যবসায়ী বা চোরাচালানী হয়ে ওঠার। সন্ত্রাসী-মাস্তানি-চাঁদাবাজি-ছিনতাইকারী, যে কোনোটাই হয়ে যেতে পারে তাদের পেশা। তাহলে মাদকমুক্ত বা নিয়ন্ত্রিত দেশ গড়ার কী হবে?
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলেন একজন, তার দুটি বা তিনটি সন্তান জড়িয়ে যেতে পারেন মাদক ব্যবসায়। ছোট ভাইদেরও বাদ দেয়া যায় না, এই আশঙ্কা বা সম্ভাবনা থেকে। অন্যের বাড়িতে কাজ করতে যাওয়া স্ত্রীর পরিণতি কী হবে?
একজনের পরিবর্তে ৩ জন বা ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী বা চোরাচালানি হয়ে ওঠার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। বলছি না যে, এমন হবেই। আবার এমন হবে যে না, তাও জোর দিয়ে বলতে পারবেন না। বলতে পারেন, এই লেখায় কিছু নিরীহ মানুষ আর শুধু মাঠপর্যায়ের দরিদ্র মাদক- ইয়াবা চোরাচালানি বা বাহকদের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ঠিক বলেছেন, আপনার চিন্তাটা ঠিকই আছে। অনুরোধ করি, চিন্তাটা আর একটু প্রসারিত করেন। দেখেন এখন পর্যন্ত যে ১৩৫ জন নিহত হয়েছেন, তাদের সবাই মাঠ পর্যায়ের। ‘ইয়াবা স¤্রাট’রা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে নির্বিঘেœ কেউ পুণ্যভূমিতে, কেউ পূর্ব পুরুষের দেশে চলে গেছেন।

৬.
ইয়াবা বা মাদকের উৎস বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে, চোরাচালানি গডফাদারদের আশ্রয়- প্রশ্রয় দিয়ে, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদকমুক্ত তো নয়ই, নিয়ন্ত্রিত দেশও গড়া যাবে না। একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে, সমাজে বহুবিধ সমস্যা জন্ম দেয়া হয়ে যেতে পারে।
 প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্র একজন দু’জনের দায়িত্ব নিয়ে প্রশংসিত হতে পারেন। সবার দায়িত্ব নেবেন না, নিতে পারবেনও না।
সুতরাং সমাধানের পথ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয়। বহু বছর নির্বিকার ও রাষ্ট্রীয় শেল্টারে বিকশিত করা মাদক বাণিজ্য বন্ধ করার, সরল কোনো পথ বা সমাধান নেই। রাজনৈতিক সদিচ্ছা বা আন্তরিকতা থাকলে, নির্মূল করা না গেলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
‘বন্দুকযুদ্ধে’ নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণ কোনোটাই সম্ভব নয়।

সাপ?তাহিক পতিবেদন

এই সময়/রাজনীতি
 মতামত সমূহ
Author : Robinjack
I’m curious to find out what blog platform you are utilizing? I’m having some small security problems with my latest blog and I’d like to find something more risk-free. Do you have any solutions? buy gmail accounts pva
Author : Robinjack
On the off chance that more individuals that compose articles truly fretted about composing incredible substance like you, more perusers would be occupied with their works. Much obliged to you for thinking about your substance. 예스카지노
Author : libilltao
Coach Outlet Store Online is one of the best fashion bags in the world. Coach Outlet Online is known for its best quality bags that are usually used by actresses and also rich people. If you are a person who cares about fashion, I think that you should buy a Coach Factory Outlet Online. If you want to buy this awesome bag, you should find a Coach Outlet Online Store in our online store. Antonio Brown Color Rush Jersey can often be found here for pennies on the dollar. For sports fans out there nothing is better than watching a game and wearing your favorite Detroit Red Wings Standings. Many of the special throwback or Pittsburgh Penguins Standings cost way too much money for each one. Often times we have may players we love so getting all their Chicago Blackhawks Standings would cost way too much money. Many of the popular Cheap NBA Basketball Jerseys sell out quickly. Cheap NHL Jerseys could be truly expensive, most especially if they are authentic and come from real sports stars. Nonetheless if you are opting for affordable ones then there are Wholesale NFL Jerseys then there are actually then you can actually buy some that are good quality. Still you can purchase Cheap Authentic Nfl Jerseys which are in reasonable rates if you try to search for it. You can look around the house or ask permission to roam their closets and you may find one or two Cheap Nfl Nike Elite Jerseys. Well, this could be a nice way for you to get Salute To Service Jersey for free. Also you can purchase Nba Quiz Playbuzz located at salvation army shops which sells Chicago Bears Bleacher Report at dropout price. Maglie Calcio A Poco Prezzo,Maillot Pas Cher Foot,Camisetas De Futbol Comprar,Camisetas De Futbol Baratas
Author : ming1111 vcvcb
Everyone loves to purchase a cheap Philadelphia Eagles Jersey jersey.cheap Cheap Authentic NFL Jerseys jerseys are introduced in the market to solve the problem of an average football fan. By follow some of these tips and tricks will help you in finding a good quality yet affordable New England Patriots Jersey jerseys that last longer.Patriots Jersey Cheap has gained a popular following in Australia, and more and more fans are in the market for their own New England Patriots NFL Championships 2017 jersey. Getting Cheap Football Jerseys jerseys cheap is relatively easy when you get them directly from the supplier, as each intermediary adds on their own profit margin.If you are even a little into football you probably have a favorite Golden State Warriors Jacket team and probably some key players that you love to root for.There are many different places you can find New England Patriots Hoodie jerseys.Because these apparel companies design all sorts of sportswear, they are the natural choice when choosing a well-made and comfortable Boston Bruins Jersey football jersey.Internet is the biggest place where you can find several websites that offer Hockey Jerseys Cheap jerseys at an affordable cost.Hence it's worth investing your money by buying a Cheap Hockey Jerseys jersey from Mitchell or Ness.But if you are enthusiastic and eager to buy a good quality New England Patriots News then it is better for you to purchase it from a local sports dealer.Therefore, it becomes easier for you to purchase a Steelers Jerseys of your favorite player according to your size. Buying Philadelphia Eagles Jersey wholesale has become an integral part of the business to ensure good quality, well prices stock.Pittsburgh Steelers Jerseys wholesalers need to bear this in mind when purchasing from manufacturers as they need to be licensed in order to pay royalties to the NFL Football Jerseys.For retailers looking forward to purchase New England Patriots Hoodie wholesale China has proven to be their best bet.In China not only is the labor cheaper due to lower costs of living but also use cheaper materials in the manufacture of their Seattle Seahawks Gear.In much the same way as China has factories that specialize in the manufacture of very specific items so does an Tom Brady Shirt wholesaler choose to specialize in buying and resale Cheap NFL Gear.
Author : Sahrif
জনাব সম্পাদক, ইত্তেফাকের অনলাইন ভার্সনে একটি জেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি জেলার পুলিশ সুপারের আত্মউপলোধ্বি পড়েছিলাম, বর্তমান রাজনীতি ও পুলিশ প্রশাসন নানা কারণে নানা উপায়ে মাদক ব্যবসা ও সরবরাহের মূল স্রোতে প্রবেশ করে ফেলেছে, ফলে শুদ্ধি অভিযান ব্যতীতে এ মাদক নির্মূল অভিযান কোন কাজেই আসবেনা।
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.