[কর্পোরেট সাক্ষাৎকার] ‘আমাদের ইকোনমি গ্রো করছে’-জি এম কামরুল হাসান

Print Friendly and PDF

এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, ঈগলু- আবদুল মোনেম লিমিটেড

ঈগলু বাংলাদেশে আইসক্রিম তৈরিতে আলাদা পরিচিতি এনেছে। এছাড়া আবদুল মোনেম গ্রুপ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আপনারা কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছেন?
জি এম কামরুল হাসান : আবদুল মোনেম গ্রুপ অবকাঠামো উন্নয়নে এই দেশে পাইওনিয়ার প্রতিষ্ঠান। সরকারের বড় বড় যেসব ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট আছে এসব জায়গায় আমরা কাজ করছি। পদ্মা ব্রিজ এর আমরা স্টেকহোল্ডার। এর বড় একটি অংশের কাজ আমরা করছি।

এটি তো আমাদের গর্বের ব্যাপার?
জি এম কামরুল হাসান : অবকাঠামো উন্নয়নে আবদুল মোনেম গ্রুপের অবদান ফ্যানটাস্টিক। অনেক বড় আকারে কাজ করছি আমরা। এর ফলে এর প্রভাব কিন্তু দেশের ইকোনমিতে পড়ছে। আর ঈগলুর ব্যাপারে যদি বলি তাহলে বলব- ঈগলুর ব্যবসা গ্রাম রিলেটেড নয়। এটি আরবার এরিয়ার বিজনেস। দিস বিজনেস রিলেটেড টু দ্যা লজিস্টিক। ইটস এ ভেরি মাস ইউ নো ইউ ক্যান নট ডু দ্যা বিজনেস হোয়ার এভার ইউ ওয়ান্ট টু ডু। ইটস এ লজিস্টিক ফ্রিজ ড্রিভেন বিজনেস। আমরা যে হারে কাজ করছি মার্কেটে যেভাবে আইসক্রিম কনজামশন প্যাটার্ন বাড়ছে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিজনেস গ্রো করছে।
মার্কেটে কম্পিটিশন বাড়ছে?
জি এম কামরুল হাসান : কারেক্ট। আইসক্রিম ইন্ডাস্ট্রি ইজ নট কোয়াইট বিগ নাউ। সাত-আটটা কম্পিটিটর বর্তমানে চলে এসেছে। এই জায়গায় এম্পলয় জেনারেট থেকে শুরু করে সকল স্টেকহোল্ডার যারা আমাদের সঙ্গে ইনভলভ আছেন- প্রতিটি জায়গায় আমাদের কিছু না কিছু কন্ট্রিবিউশন আছে। আইসক্রিম ইন্ডাস্ট্রি গ্র্যাজুয়ালি গ্রো করছে। বিলিভ ইটস ভেরি পটেনশিয়াল বিজনেস ডাউন দ্যা লাইন। যেহেতু এটি বেসিক নিড না। এটি কোনো প্ল্যান শপিং প্রডাক্টও না।
যখন অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকে তখন কিন্তু মানুষ লাক্সারি আইটেমের দিকে ঝোঁকে?
জি এম কামরুল হাসান : ইজ ইট। আপনি যদি সর্বোপরি গেল কয়েক বছরে বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট দেখেন। আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাপার ইলেক্ট্রিসিটি পেনিট্রেশন। হিউজ চেঞ্জ। গ্রামেগঞ্জে বিদ্যুৎ চলে গেছে। এই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অনেক পরিবর্তন হচ্ছে। অবকাঠামো উন্নয়ন। এখন কিন্তু এমন কোনো জায়গা নেই বাংলাদেশে যেখানে ঢাকা থেকে একদিনে পৌঁছাতে পারবেন না। সো ইউ ক্যান গো এনি হোয়ার ইন বাংলাদেশ। কানেকটিভিটি হ্যাজ বিন ডেভেলপড। ইলেক্ট্রিসিটি পেনিট্রেশন হ্যাজ বিন চেঞ্জড। এর সঙ্গে সঙ্গে মানুষের পার ক্যাপিটা ইনকাম হ্যাজ বিন চেঞ্জড এ লট। মানুষের এডুকেশন চেঞ্জ হচ্ছে। যখন ইলেক্ট্রিসিটি পার ক্যাপিটা ইনকাম সবকিছুর কম্বাইন্ড আপনি দেখেন, তখন বাসায় একটি ফ্রিজ কিন্তু এখন আর ফ্যাশন না। ইটস ম্যান্ডেটরি পার্ট হয়ে গেছে। যখন ইলেক্ট্রসিটির সঙ্গে ফ্রিজ পেনিট্রেশন হচ্ছে এর সঙ্গে সঙ্গে এই বিজনেসের পটেনশিয়ালিটি বাড়ছে।   
ঈগলু আইসক্রিম থেকে সুগার তৈরিতে কাজ করছে- এই বিষয়ে জানতে চাই?
জি এম কামরুল হাসান : প্রাইমারিলি আমাদের এগজিস্টিং যেসব বিজনেস আছে তারমধ্যে ধরেন সুগার। আমাদের বিগেস্ট সুগার রিফাইন বিজনেস আছে। এই জায়গায় ইকোনমি আমরা বেশ কন্ট্রিবিউশন করছি এবং কাজ করছি। গোয়িং ফরোয়ার্ড আমরা যদি চিন্তা করি। সেখানে আমাদের প্রেজেন্ট এগজিস্টিং বিজনেস যা আছে তার সঙ্গে উই ওয়ান্ট টু পেনিট্রেট আওয়ার সেলফ অলসো ইন আওয়ার ফুড বিজনেস। বিকজ ফুড ইজ এন ফমারজিং সেক্টর। প্রসেস ফুড ইজ গোয়িং টু বি ভেরি বিগ মার্কেট ডাউন দ্যা লাইন। এখনও আছে।
আরবান লাইফে ভেরি মাস ইম্পর্ট্যান্ট?
জি এম কামরুল হাসান : ইয়েস, ইট ইজ। ফুড বিজনেস এ উই আর ফোকাসিং। উই আর ফোকাসিং ইন দ্যা ফ্রোজেন ফুড বিজনেস। বিকজ উই হ্যাভ নাম্বার অফ লজিস্টিকস ইন দ্যা মার্কেট এজ পার এজ আইসক্রিম ইজ কনসার্ন। উই আর ফোকাসিং অন ফ্রোজেন ফুড বিজনেস অ্যান্ড দিস ইজ অলসো ভেরি কনভিনিয়েন্ট প্রডাক্ট ফর দ্যা স্পেশালি ফর দ্যা উইমেন। কারণ মানুষজন এখন সব কনভিনিয়েন্ট প্রডাক্ট চায়। এছাড়া উই আর এক্সট্রিমলি ফোকাসিং অন দ্যা ডেইরি সেক্টর। আমরা আশা করছি যে, উইল বি সামথিং গুড ইন দ্যা মার্কেট এজ ডেইরি কনসার্ন। আগামী ৫ বছরের ভেতরে ঈগলু ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে খুব ভালো করতে চায়। অ্যান্ড উই ওয়ান্ট টু মেক শিওর দ্যাট উই ওয়ান্ট টু গিভ রাইট প্রডাক্ট টু কাস্টমারস। সো দে ক্যান হ্যাভ দ্যা লাইক এ আইসক্রিম। আইসক্রিম এ উই গিভ দ্যা হাইয়েস্ট কোয়ালিটি। অলসো ডেইরি সেক্টর উই ওয়ান্ট টু গিভ দ্যা হাইয়েস্ট কোয়ালিটি প্রডাক্ট স্পেশালি ইন বাংলাদেশ- এই জায়গায় আমরা কাজ করছি।
বড়দের জন্যে আইসক্রিমের কোনো ক্যাটাগরি আপনারা করেছেন কিনা?
জি এম কামরুল হাসান : আমাদের প্রেজেন্টলি টার্গেট গ্রুপ এখনও পর্যন্ত ফোকাস করছি প্রাইমারিলি টু দ্যা চিলড্রেন অ্যান্ড দ্যা ইউয়ূথ। টিনএজার। মধ্যবয়সী পর্যন্ত। বয়স্করা কেন জানি আইসক্রিম খেতে চায় না। অন্যভাবে যদি দেখেন- সারাদিনে সে চার কাপ চা খায়। অথবা তিনকাপ চা-ও খান । দ্যাট ইজ বিন বিগার কনজামশন সুগার যতটুকু আছে আইসক্রিমে তার চেয়েও অনেক বেশি পড়ে।  আইসক্রিম ইট সেলফ আমরা যেভাবে কাজ করছি যে, আপনি যদি আইসক্রিমের প্রটেনশিয়ালিটি দেখেন এখনও পর্যন্ত আমাদের দেশে হাউস হোল্ড পেনিট্রেশন লেস দ্যান ওয়ান পারসেন্ট স্পেশালি ইন আরবান এরিয়া। শহর এরিয়ায় বাসাবাড়িতে শতকরা ১ ভাগ মানুষ আইসক্রিম খায় না। সো আইসক্রিমের খুবই ট্রিমেন্ডাস পটেনশিয়ালিটি আছে। এছাড়া আমাদের পারসেপশন আছে এটি লাক্সারি প্রডাক্ট এই ধারণাও ঠিক না। ইটস এ ডেজার্ট প্রডাক্ট। সো ডেজার্ট প্রডাক্ট শুড বি এ ডেইলি পার্ট অফ দেয়ার লাইফ। আপনি যদি ওয়েস্টার্ন কান্ট্রি এবং বিভিন্ন দেশ দেখেন সেখানে আইসক্রিম মেন্ডেটরি প্রডাক্ট। এটি খাবারের পরে সবাই খায়। কিন্তু আমাদের কান্ট্রি গ্রোয়িং অন এ ডিফারেন্ট ওয়ে। আমাদের ইকোনমি গ্রো করছে। মানুষের বেসিক নিড ফুলফিল এর ইস্যু রয়ে গেছে। তাই আইসক্রিম মনে করে ইটস এ লাক্সারি প্রডাক্ট। এই জায়গায় উই আর এক্সট্রিমলি ফোকাসিং যে, কিভাবে আইসক্রিমকে ডেইলি খাবারের পার্ট হিসেবে করা যায়? ইফ ইট বিকামস ডেইলি পার্ট অফ দেয়ার ফুড হ্যাবিট। এটি অবশ্যই পুষ্টিকর খাদ্য। এতে থাকে চিনি, দুধ, চকোলেট, বাদাম- এই সবের কোনো কিছুকে আপনারা অ্যাভয়েড করতে পারবেন না। এসব মিলিয়ে কম্বিনেশন অফ এ প্রডাক্ট।

সাপ?তাহিক পতিবেদন

সাক্ষাৎকার
 মতামত সমূহ
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.