[কর্পোরেট সাক্ষাৎকার] ‘বাংলাদেশকে মাথায় নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি’-কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এফ এইচ আনসারী

Print Friendly and PDF

ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এসিআই মোটরস ও প্রিমিয়াফ্লেক্স প্লাস্টিক এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, এসিআই এগ্রিবিজনেস

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেন এসিআই মোটরস ও প্রিমিয়াফ্লেক্স প্লাস্টিকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং এসিআই এগ্রিবিজনেস এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এফ এইচ আনসারী। তার সঙ্গে যোগ দেন ঈগলু- আবদুল মোনেম লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জি এম কামরুল হাসান। তাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রাজু আলীম


বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের মহাসড়কে। ২০১৮ তে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তার সঙ্গে এসিআই এর বিজনেস প্ল্যানিং এবং স্ট্রাটেজি কী?
ড. এফ এইচ আনসারী : আমরা শুরু করি কৃষি দিয়ে কারণ এবং এসিআই এর মূল ব্যবসা এখন কৃষি হয়ে গেছে। বাংলাদেশেও কৃষি একটি বড় ব্যবসা। এর পাশাপাশি এসিআই ফার্মাসিউটিক্যালস, রিটেইল চেইন, কনজ্যুমার প্রডাক্ট ব্যবসায় আছে। কিন্তু কৃষিক্ষেত্রে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি। আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ কৃষি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কৃষির উপরে নির্ভরশীল। তাই আমাদের মিশনে আমরা বলার চেষ্টা করেছি যে, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্যে আমরা কাজ করছি। তাহলে বাংলাদেশের মানুষ যারা অর্ধেক আছে গ্রামে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করাই আমাদের অগ্রাধিকার। তাহলে কৃষির কথাই বলি- কৃষির উপরে আমরা পুরোমাত্রায় ইম্ফেসাইজ করেছি। এই কৃষি অর্থনীতি বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচ-ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা যদি দেখার চেষ্টা করি- গ্রামের অর্থনীতির অবস্থা কী? আমরা এখন দেখতে পাই- ঘরে ঘরে মানুষের আনন্দ, ঘরে ঘরে মানুষের উল্লাস সব কিছ্ইু আছে। তার কারণ হলো এই- কৃষিতে ইনভেস্ট করে মানুষ অনেক বেশি রিটার্ন পাচ্ছে এবং কৃষি টেকনোলজি অ্যাপ্লাই করে প্রডাকটিভিটি যথেষ্ট বেড়েছে এবং ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকের ইনকাম বেড়েছে। এখন কৃষিতে এত ভালো হওয়ার কারণ হলো এই- আমাদের দেশের প্রাইভেট সেক্টর প্রচুর পরিমাণে কৃষিতে সাপোর্ট দিয়েছে। প্রাইভেট সেক্টর টেকনোলজি দিয়েছে। টেকনোলজিকে কমিউনিকেটিভ করেছে। টেকনোলজিকে প্র্যাকটিস করেছে। হাতেকলমে এই সব শেখানোর ফলে হয়েছে কী? অভার অল কৃষি অর্থনীতি অনেক বড়ভাবে গ্রো করে যাচ্ছে। এখানেই শেষ না? এ পর্যন্ত যেসব টেকনোলজি আমরা দেয়ার চেষ্টা করেছি তা বেসিক টেকনোলজি। কিন্তু গ্লোবালি যদি আমরা কম্পেয়ার করি টেকনোলজির বিষয়ে তাহলে প্রডাকটিভিটি ইনডেক্সে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি। যদিও অভারঅল আমাদের গ্রোথ এবং ভলিউম গ্রোথ হয়েছে, কৃষির অনেকক্ষেত্রেই আমাদের পজিশন বেশ ভালো আছে। আমরা বেসিক টেকনোলজি দিচ্ছি। কারণ আমাদের দেশের কৃষক খুব ছোট ছোট কৃষক। সেখানে যদি অ্যাডভান্সড টেকনোলজি দেয়া হয়, তাদের যদি নলেজ গ্যাপ হয়ে যায়- প্র্যাকটিস এনশিওর করা না গেলে কি হবে?
তা ক্ষতির কারণ হতে পারে?
ড. এফ এইচ আনসারী : এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। কিন্তু আস্তে আস্তে গ্রোথ হচ্ছে। প্রাইভেট সেক্টর কৃষির টেকনোলজিতে ইনভেস্ট করছে। বিদেশ থেকে টেকনোলজি নিয়ে এসে লোকালি অ্যাপ্লাই করে কৃষকের কাছে দিচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে নিজেরাও কিছুটা ইনোভেশন এবং ইনভেস্টমেন্ট করছে। সব মিলিয়ে কৃষি অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে কৃষিকে সামনে এগিয়ে নিতে একজন কৃষি অর্থনীতিবিদ হিসেবে কী বলবেন?
ড. এফ এইচ আনসারী : একটি ছোট উদাহরণ দিতে চাই- এই বছর চাল আমদানি করতে হলো প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। অথচ এই চাল আমাদের দেশে উৎপাদন হতে পারতো। বাংলাদেশে যদি আমরা পুরোপুরিভাবে খাদ্য উৎপাদন করতে পারি। বাংলাদেশে মানুষের যে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হচ্ছে বা ইনকাম হচ্ছে, এই ইনকামের সঙ্গে তাল রেখে যদি আমরা সবকিছু প্রডিউস করতে পারি যা লাগবে। তাহলে কি হবে? অভার অল আমাদের অর্থনৈতিক গ্রোথে আঘাত লাগবে না। আঘাতটা কম লাগবে। সুবিধা হবে এই- এটি ফুলেফেঁপে উঠবে। জিডিপি গ্রোথ অনেকক্ষেত্রেই কিন্তু তখন অনেক বেশি দেখা যাবে। আমরা যদি বলার চেষ্টা করি একটা জিনিস যে, কৃষি বলতে কিন্তু শুধু এগ্রিকালচার ইনপুট না। আমি এতক্ষণ কিন্তু এগ্রিকালচার ইনপুটের কথা বলছিলাম। এখন যদি ভ্যালু এডিশনের কথা বলি। ধরেন আইসক্রিম। এখানে কিন্তু কৃষির অনেক কিছুই আছে- সুগার আছে, মিল্ক আছে। এইসব কিন্তু ভ্যালু অ্যাডিশন। তারপরে ফরোয়ার্ড লিংকেজ আছে। এই সব ক্ষেত্রেই কিন্তু আমাদের অবদান আছে এই যে, অভারঅল অ্যাপ্রোচ। স্টার্টিং ফ্রম ইনপুট দ্যান ভ্যালু অ্যাডিশন দ্যান ফরোয়ার্ড লিংকেজ। টোটাল এগ্রিকালচার ভ্যালুর চেয়ে আমাদের ভালো লিংক আছে। এটার মূল কারণ বা মন্ত্রটা হলো- আমরা বারবার একটি কথা বলছি বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করব। এর প্রতিটিই কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে লিংক আছে। একটা গ্রামের মানুষের সঙ্গে। একটা আছে গ্রামের মানুষ শহরে এসে কাজ করবে বা মেগাসিটিতে এসে তার সঙ্গে। আবার শহরের মানুষের যে ভালো এক্সপেরিয়েন্স সেটা দেয়ার জন্যেও আমরা অভার অল এই লিংকটা করেছি।
আমরা একটা রিটেইল চেইন শপের কথা যদি বলি- সেখানে সবকিছু সুন্দরভাবে সাজানো থাকে কিন্তু তার পেছনের গল্পটা তৈরি করে তো গ্রামের মানুষরাই?
ড. এফ এইচ আনসারী : অফকোর্স। সেটাই আমরা বলছি ফরোয়ার্ড লিংকেজটা। এর সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে আবার ফার্মাসিউটিক্যালস দিয়েছি। অ্যাক্রোস অভার অল যদি চিন্তা করি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় যা লাগবে- মোটামুটিভাবে আমরা তার সবই দেয়ার চেষ্টা করছি। ২৫ বছরপূর্তিতে এসিআই আমরা গর্ব করে বলতে পারি- যে কমিটমেন্ট করেছিলাম ২৫ বছর আগে যে, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন করব এবং যে ভ্যালু সিস্টেমের কথা বলেছিলাম এবং যে অবজেক্টিভ এর কথা বলেছিলাম তা পুরোপুরিভাবে আমরা করার চেষ্টা করেছি। আগামী ৫ বছরের ভেতরে এই পথে আমরা আরও অনেক বেশি এগিয়ে যেতে পারব।
এসিআই মোটরস ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরবাইক এই দেশের তরুণদের রিপ্রেজেন্ট করছে- এই সম্পর্কে বলুন?
ড. এফ এইচ আনসারী :  গ্রামে কৃষক আছে। তারা অর্থনৈতিকভাবে প্রবৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন নতুন প্রজন্মের কৃষক আসছেন তারা জিন্স প্যান্ট পরে গ্রামে চলাফেরা করেন। তাদের একটা অ্যাসপিরেশন গ্রো করছে এবং তারা শহরের সঙ্গে লিংক করতে চায়। তাদের ভোগ্যপণ্য যা আছে তারা উৎপাদন করছে। সেটা তারা শহরে নিতে চায়। তাহলে তাদের কমিউনিকেশন ভেহিক্যাল কী? আপনারা জানেন গ্রামের রাস্তাঘাটের অবস্থা বিবেচনা করে মোটরবাইক একটি ভালো বাহন। এই ক্ষেত্রে আমরা তাদের সাপোর্ট করার জন্যে আমরা এই মোটরসাইকেল দিয়েছি। এমন একটি মোটরসাইকেল দিয়েছি যা, শহরের এবং গ্রামের সব জায়গার মানুষই পছন্দ করে। এই বাইক তরুণদের হার্টকে রিদম করে দেয়। যার জন্যে তাদের মধ্যে উৎফুল্লতা সৃষ্টি হয়। তাদের কাজে গতি আনে। গতি আনার জন্যেই আমরা এই মোটরসাইকেল এনেছি। অনেকেই অনেক ক্ষেত্রে আমাদের প্রশ্ন করেছে যে, এগ্রিকালচারের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সম্পর্ক কী? আমরা একটা কথা বলেছি যে, এগ্রিকালচার শুধু পেটের জন্যে নয়, কৃষি তার সমৃদ্ধির জন্যে। আমরা মানুষের ওয়েলথ ক্রিয়েট করতে চাই। ওয়েলথ হলেই মানুষ অ্যাসপারেশন চাইবে, সাপোর্ট চাইবে, মানুষ এক্সপোর্ট হতে চাইবে। এই ক্ষেত্রেই আমরা মোটরসাইকেল সাপোর্ট করেছি এবং বেস্ট মোটরসাইকেল ইন দ্যা কান্ট্রি আমরা দিয়েছি। এই ক্ষেত্রে আমরা বলব, একজন তরুণ কৃষকের যা নিড ছিল তা আমরা ফুলফিল করতে পেরেছি।
তাদের কাছ থেকে আপনার রেসপন্স কেমন পেয়েছেন?
ড. এফ এইচ আনসারী :  আমরা সিরিয়াস রেসপন্স পেয়েছি। এক বছর পূর্তি হয়েছে মোটরসাইকেলে সেক্ষেত্রে গেল ৪০ বছরে ইয়ামাহা যা বিক্রি হয়েছে তার তিন গুণ বিক্রি হয়েছে গেল এক বছরে। তিন বছরের মোটরসাইকেল আমরা এক বছরে বিক্রি করেছি তার মানে এত সুন্দর ভালো মোটরসাইকেল যেটা তারা কিনেছে এবং  তারা কেনার পরে যথেষ্ট তারা স্যাটেসফাইড।
আর কৃষি ট্রাক্টর সোনালিকার সাফল্য সম্পর্কে জানতে চাই?
ড. এফ এইচ আনসারী :  আমরা কৃষিতে যে ফার্ম মেকানাইজেশনের কথা বলেছি সেটাও কিন্তু একটা সলিউশন। আমরা আমাদের মিশনে বলেছি- উই আর প্রভাইডিং কমপ্লিট সলিউশন টু দ্যা নিড অফ দ্যা ফার্মার। এখন যা হয়েছে। গ্রামে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। কৃষকের ছেলে কৃষি কাজ করবে না। বিকজ কাজটা খুব কঠিন। কাদামাটিতে এত শক্ত কাজ করা খুবই ডিফিকাল্ট। তার জন্যে তার একটি যন্ত্র দরকার। তারপরেও তো লেবার কস্ট বেড়ে গেছে। যার কারণে আমরা চাষের জন্যে আমরা ট্রাক্টর দিয়েছি। হ্যান্ড ট্রাক্টর দিয়েছি, ইরিগেশনের জন্যে পাম্প দিয়েছি, ধান লাগানো এবং কাটার জন্যে যন্ত্র দিয়েছি। ধানটা যেহেতু মূল ফসল তাই সর্বক্ষেত্রে যেসব যন্ত্রপাতি দরকার তার সবই দেয়ার চেষ্টা করেছি আমরা। এছাড়া এটি এমনভাবে দিয়েছি যা অত্যন্ত কনভিনিয়েন্ট এবং এটির মেইনটেন্যান্স মোটামুটি ফ্রি বা কাছাকাছি থেকে আমরা মেইনটেন্যান্স দিতে পারি- আমরা ৬ ঘণ্টার মধ্যে সার্ভিস দিয়ে থাকি। এর সঙ্গে সঙ্গে এইগুলো ইকোনমিক্যালি অনেক সুইটেবল তাদের জন্যে ফরমারেটিভলি ইকোনমিতে। যার কারণে ট্রাক্টরে আমরা নাম্বার ওয়ান এখন। কম্বাইন্ড হারভেস্টে নাম্বার ওয়ান। রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টে নাম্বার ওয়ান এবং পাওয়ার ট্রিলারে আমরা নাম্বার টু। এই হলো অভার অল আমাদের কৃষিতে অ্যাকটিভিটিজ। তবে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হলো- আমাদের ১৯০ জন ইঞ্জিনিয়ার কাজ করছে মাঠে এবং প্রায় ১ হাজার মেকানিক্সকে আমরা ট্রেনিং দিয়েছি থ্রো আউট অফ দ্যা কান্ট্রি। যারা সার্টিফাইড মেকানিক্স। তারা কিন্তু কাছাকাছি থেকে কৃষক কম্পেøইন করার ৬ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকটিভেট করতে সক্ষম যে কোনো মেশিন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার ট্রিলার অথবা অন্য যে কোনো কিছু।
এসিআই এর কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি আছে। এই তাগিদ থেকে স্বাধীনতা দিবসে আপনাদের ইভেন্ট থাকছে?
ড. এফ এইচ আনসারী :   বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে মার্চ মাসে। আর এই মার্চ মাসে এসিআই এর ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে। এখানে বাংলাদেশের কথা বলেই পুরো উল্লাস করেছি আমরা অন্য কিছু বলিনি। এর কারণ হলো বাংলাদেশকে মাথায় নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি। স্বাধীনতা দিবসে আমাদের কমিটমেন্ট হলো- আমাদের দেশের কৃষক অনেক বেশি প্রডাকটিভভাবে এবং অনেক বেশি ইনকাম করবে এবং তারা ওয়েলদি হয়ে যাবে এই দেশে- এটিই আমাদের কামনা।
কৃষিপণ্য কেনার জন্যে কৃষকদের যে ঋণের প্রয়োজন হয় এই জায়গায় কী করছেন আপনারা?
ড. এফ এইচ আনসারী :  এই বিষয়েও আমরা কাজ করছি। কেউ যদি ট্রাক্টর আমাদের কাছে অনলি ২৫ পারসেন্ট টাকা জমা দেয় তাহলে ৬ কিস্তিতে ট্রাক্টর আমাদের কাছ থেকে কিনতে পারেন। এই সুবিধাটা আমরা সরাসরি ব্যাংকের মতো কাজ করছি। এই ক্ষেত্রেও আমাদের ভূমিকা অনেক বেশি আমরা ভালোভাবে কাজ করে চলেছি। পাওয়ার ট্রিলার এর ক্ষেত্রে আমাদের ডিলারদের আমরা ক্রেডিটে পাওয়ার ট্রিলার দেই। ডিলার আবার ক্রেডিটে পাওয়ার ট্রিলার ফারমারকে দিচ্ছে। কম্বাইন্ড হারভেস্টের ক্ষেত্রে এই অবস্থা যদি কেউ ২৫ পারসেন্ট টাকা জমা দেয় সেক্ষেত্রে বাকিটা আমরা ৩৬ মাসে টাকা রিকভার করি। ফার্ম মেকানাইজেশনে প্রতিটি ক্ষেত্রে কৃষক আমাদের থেকে সাপোর্ট পাচ্ছে।

সাপ?তাহিক পতিবেদন

সাক্ষাৎকার
 মতামত সমূহ
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.