চীনের আফ্রিকা অভিযান -সাইমন মোহসিন

Print Friendly and PDF

একদা নিরাশাব্যঞ্জক মহাদেশ এবং বিশ্ববিবেকের ওপর ক্ষতচিহ্ন হিসেবে পরিচিত আফ্রিকা মহাদেশ এখন পরিবর্তন ও উৎকর্ষের পথে এগিয়ে চলেছে। আফ্রিকার এই অগ্রযাত্রায় চীনের ভূমিকা অপরিসীম। গত প্রায় একদশক ধরে চীন আফ্রিকার সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ও ব্যবসায়িক অংশীদারের ভূমিকা পালন করে চলেছে।
আফ্রিকা একটি বৈচিত্র্যময় অঞ্চল। জাতীয় স্বার্থ, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও উন্নয়নের মানে ভিন্নতা ও বিচিত্রতা নিয়ে ৫৪টি স্বাধীন রাষ্ট্র এই মহাদেশে রয়েছে। এরপরও, আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর সার্বিক লক্ষ্য একই- বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে কার্যকরীভাবে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে এসডিজি ২০৩০ লক্ষ্যসমূহ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের ২০৬৩ এজেন্ডা লক্ষ্যসমূহ অর্জন করা। এজেন্ডা ২০৬৩ এর মূল প্রতিপাদ্য হলো একটি কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন যার লক্ষ্য হলো সমন্বিত, উন্নত, উৎকর্ষিত ও শান্তিপূর্ণ আফ্রিকা গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্য আফ্রিকার প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থায়ন ও সহযোগিতা। আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংকের মতে, প্রতি বছর আফ্রিকার ১৩০ থেকে ১৭০ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ অর্থের অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আফ্রিকার প্রতি বছর ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ অধিক অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন। আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলো এত সম্পদশালী নয় যে, এ বিশাল লক্ষ্য তারা নিজে অর্জন করতে সক্ষম। বাহ্যিক সহায়তা তাদের একান্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে ঋণ সহযোগিতা অপরিহার্য। সে কারণেই তারা চীনের সহায়তা নিয়েছে বা নিচ্ছে। কিংবা চীন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছে।
চীনের কাছ থেকে এই অর্থঋণ নেয়ার নেপথ্যে কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে। সাধারণ অর্থে বিবেচনা করলে আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলো এই ঋণ সহায়তা প্রথম বিশ্বের কোনো রাষ্ট্র থেকে, বিশ্বব্যাংক, কিংবা আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক, অথবা যে কোনো বেসরকারি ব্যাংক থেকে নিতে পারে। চীন ব্যতীত অন্যান্য সংস্থা কিংবা রাষ্ট্রগুলো কেবল সবচেয়ে দরিদ্র রাষ্ট্রসমূহকেই ঋণ দিতে আগ্রহী। এজন্য কেনিয়া, আইভরিকোস্ট ও নাইজেরিয়ার মতো মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে চিহ্নিত রাষ্ট্রগুলো এই অর্থঋণ সংগ্রহে সমস্যার সম্মুখীন হয়। নিম্ন ও সহজ সুদহারে ঋণ পেতে হলে তখন তাদের অন্য উপায় খুঁজতে হয়। আর চীন এক্ষেত্রে অত্যন্ত উপযোগী অংশীদার। চীনের কাছ থেকে অর্থঋণ নিয়ে আলোচনা থেকে শুরু করে অর্থ ছাড় পর্যন্ত সময় লাগে গড়ে নয় বছর। অনেক সময় বিলম্বটা হয় ঋণগ্রহীতা রাষ্ট্রের পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নের পরিস্থিতি বিবেচনায়। ইথিওপিয়া ও রুয়ান্ডার মতো রাষ্ট্রসমূহ পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের প্রতি আগ্রহী হওয়া সত্ত্বেও তাদের অর্থ পেতে বিলম্ব হয়ে যায়। চীনের সঙ্গে এসব অর্থঋণের আলোচনা থেকে শুরু করে অর্থছাড় পর্যন্ত গড়ে দুই বছর সময় লাগে।
একইসঙ্গে, চীন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ও জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থায় আফ্রিকার স্বার্থ রক্ষার মধ্য দিয়ে মহাদেশের রাষ্ট্রগুলোকে রাজনৈতিক সহায়তাও প্রদান করে চলেছে। ২০১৭ সালে চীন যখন নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করে তখন চীন আফ্রিকাতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি উন্মুক্ত সংলাপের আয়োজন করে। চীন ক্রমাগত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের শান্তি ও নিরাপত্তা পরিষদের মধ্যে কৌশলগত, প্রক্রিয়াগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পক্ষে শক্তিশালী ভূমিকা পালন অব্যাহত রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কর্মসূচির আওতায় চীন গত ১৫ বছরে আফ্রিকায় ৩০ হাজারের অধিক সৈন্য মোতায়েন করেছে। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের মধ্যে চীন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কর্মসূচিতে সর্ববৃহৎ সৈন্য প্রদানকারী রাষ্ট্র। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান ১৫ সদস্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ এবং জাতিসংঘের সকল সদস্যের মধ্যে ১১তম সর্ববৃহৎ সৈন্য প্রদানকারী রাষ্ট্র। একইসঙ্গে, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই চীন দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ অর্থ অনুদানকারী রাষ্ট্র।
আফ্রিকা মহাদেশের ৫৪টি দেশের ৫৩টিরই নেতৃবৃন্দ এ বছরের সেপ্টেম্বরে বেইজিংয়ে মিলিত হয় চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা ফোরামে অংশগ্রহণ করার জন্য। আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ড কেবল এই কাতার থেকে বাদ পড়েছে, কেননা, এই দেশটি এখনও তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত রেখেছে। সেপ্টেম্বর ২০১৮- এর চীন-আফ্রিকা সহযোগিতা শীর্ষ বৈঠকটি ছিল এই ফোরামের ১৮তম আসর। প্রতি তিন বছরে আয়োজিত এই আসরেই মূলত চীন আফ্রিকার জন্য ঋণ ও সহায়তা অর্থের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আফ্রিকান নেতৃবৃন্দের এই সমাগমে চীন আফ্রিকান রাষ্ট্রসমূহের জন্য ৬০ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ অর্থায়ন প্যাকেজের ঘোষণা করে। এই ৬০ বিলিয়ন ডলার প্যাকেজের অধিকাংশই ব্যবহৃত হবে আফ্রিকাব্যাপী বিভিন্ন জ্বালানি শক্তি অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে।
আফ্রিকান রাষ্ট্রসমূহের দরিদ্রতা মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত সকল নির্ণায়কের মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট হলো জ্বালানি শক্তির অভাব। এই অঞ্চলের দুই-তৃতীয়াংশের অধিক জনগণ নির্ভরযোগ্য জ¦ালানি শক্তি ব্যবহার থেকে বঞ্চিত। পল্লী অঞ্চলে এই অবস্থার আরও কঠিন কারণ সেখানে এর সঙ্গে অন্যান্য উন্নয়ন চ্যালেঞ্জও বিদ্যমান। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে জ্বালানি চাহিদাও বৃদ্ধি পাবে। ধারণা করা হয়, ২০৪০ সাল পর্যন্ত এই চাহিদা তিনগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই চাহিদা মেটাতে বিশাল অঙ্কের অর্থায়ন ও বিনিয়োগ প্রয়োজন। আর চীন এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। শুধুই তাই নয়, চীন-আফ্রিকা ফোরামে শি জিনপিং চীন-আফ্রিকা সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের লক্ষ্যে আটটি উদ্যোগের ঘোষণাও করেন। এ থেকে চীন এ বিষয়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে যে আফ্রিকার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক কেবল চীনের বৈশ্বিক বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ কেন্দ্রিক ও কৌশলগত নয়। চীন আফ্রিকাতে সংহতি ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রতিও আগ্রহী।
আফ্রিকাতে চীনের এই বিনিয়োগ ও অর্থায়ন যে কেবল পরার্থপরতা সেটা নিশ্চয়ই নয়। আফ্রিকাকে সহায়তা করা চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও লক্ষ্যটা স্বার্থান্বেষী। চীনের পররাষ্ট্র সম্পর্কের অন্যতম মূলনীতি হলো সকল সম্পর্ক পারস্পরিক সুবিধাজনক হতে হবে। আফ্রিকাতে চীনের বিনিয়োগ বিভিন্ন উপায়ে চীনের জন্য লাভ ও সুবিধা বয়ে আনছে কিংবা ভবিষ্যতেও আনবে বলেই চীনের নীতিনির্ধারকদের বিশ্বাস। এই সুবিধা অর্থনৈতিক- আফ্রিকায় মজুদ প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবহার, আফ্রিকার স্থানীয় বাজারে অংশগ্রহণ, চীনা শ্রমিকদের ও কর্মচারীদের জন্য আফ্রিকান অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান, চীনে অর্থায়নে গড়ে ওঠা অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ - এসবই চীনের জন্য লাভজনক। এছাড়া কৌশলগত স্বার্থেও চীনের কাছে আফ্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম। চীনের বৈশ্বিক উদ্যোগ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের জন্য আফ্রিকা এক অপরিহার্য অঞ্চল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আফ্রিকান রাষ্ট্রসমূহ চীনের প্রতি জোরালো সমর্থন অব্যাহত রেখেছে। আফ্রিকাতে চীনের অংশগ্রহণকে তারা সাদরে গ্রহণ করছে। আফ্রিকানরা চীনের এই সহায়তা ও সহযোগিতা প্রদানের প্রক্রিয়াকে সমর্থন করাতে বিষয়টি পাশ্চাত্যে চীনের প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য এক জটিল পরিস্থিতি তৈরি করছে।
চীনের সমালোচকরা চীনের অর্থ সহায়তা, অনুদান ও ঋণ প্রদানের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তাদের মতে, চীন আফ্রিকাকে ঋণের ফাঁদে ফেলে এক নতুন কৌশলে আফ্রিকায় উপনিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। একইসঙ্গে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান বাণিজ্যিক দ্বন্দ্বে চীন ইতোমধ্যে বেশ সমস্যায় পড়েছে। প্রতি তিন বছর অন্তর অনুষ্ঠিত চীন-আফ্রিকা ফোরামে চীন আফ্রিকার জন্য অনুদান ও ঋণের পরিমাণ প্রতিবারই অন্তত দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি করে আসছিল। কিন্তু এবার সেটা হয়নি। ২০১৫ সালে আফ্রিকার জন্য চীন ৬০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়। এবারও চীন একই পরিমাণ অর্থের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অন্যবারের মতো অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি না হওয়ায় চীনের প্রতিদ্বন্দ্বীরা একে সাফল্য হিসেবেই দেখছেন।
এছাড়াও অনেকেই বলছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে চীন কূটনৈতিক অঙ্গনে এক জয়ের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। এজন্যই এ বছরের চীন-আফ্রিকা ফোরামের আয়োজন এতটা আড়ম্বরপূর্ণ করেছে চীন। তাদের মতে, চীন এই ফোরামের মধ্য দিয়ে চীন-আফ্রিকা সম্পর্ককে যতটা সফল দেখাতে তৎপর প্রকৃত অবস্থা ঠিক তা নয়। অনেকেই বলছেন, আফ্রিকার অনেক রাষ্ট্র চীনের ঋণ ও অনুদান প্রদানের পদ্ধতি নিয়ে আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছে। পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার চীনের অর্থে কিছু প্রকল্প বাতিল কিংবা সেগুলোর পরিসর হ্রাস করায় চীনের সমালোচকরা আরও চাঙ্গা হয়েছে।
এছাড়াও, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়েও আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলো চিন্তিত। আফ্রিকা জলবায়ু পরিবর্তনের সর্বাধিক আক্রান্ত অঞ্চলের অন্যতম। চীন তার অর্থায়নে পরিবেশবান্ধবতাকে প্রাধিকার হিসেবে ব্যক্ত করলেও, আফ্রিকায় চীনের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত জ্বালানি প্রকল্পগুলোর সবকটিই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এ বিষয়টিও আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোর কাছে চীনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলেই পশ্চিমা চীন সমালোচকদের দাবি।
চীন গত কয়েক মাসে কয়েকটি শীর্ষ বহুপাক্ষিক বৈঠক বা ফোরামে অংশ নিয়েছে কিংবা আয়োজন করেছে। চীনের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরাশক্তি ও কূটনৈতিক পরাশক্তি হয়ে ওঠার প্রচেষ্টার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই ফোরামগুলো। কিন্তু চীনের বৈশ্বিক লক্ষ্য ও স্বার্থসিদ্ধির এই প্রয়াসে চীন যেমন আন্তর্জাতিক সমালোচনার সম্মুখীন তেমনি ঘরোয়া চাপের মুখেও পড়তে হচ্ছে। ২০০৮ সালে ৬ লাখ কোটি ডলার জাতীয় ঋণ ২০১৭ সালে ২৮ লাখ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য দ্বন্দ্ব চীন মুদ্রা ইউয়ানের ওপর চাপ বৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। এজন্য চীনের অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, যে অর্থ চীনা জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগানো যেত সেই অর্থ অন্য রাষ্ট্রের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যবহার করা কতটা যৌক্তিক। চীনা নেতা শি জিনপিং এখনও এই সমালোচনা ও আভ্যন্তরীণ চাপ জোরালোভাবেই মোকাবিলা করে চলেছেন।
চীনের এই অর্থায়ন ও কৌশলের যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠায় আফ্রিকান নেতৃবৃন্দের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। চীনা অর্থায়ন সংগ্রহে, তাদেরকে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও প্রকল্পের কার্যকারিতা ও মান উন্নয়নে আরও চৌকস হতে হবে। চীন-আফ্রিকা ফোরামে শি জিনপিংয়ের বক্তব্যেও এই ইঙ্গিতটাই ছিল যে চীন সে প্রকল্পগুলোই অর্থায়নে আগ্রহী যেগুলো টেকসই এবং ভবিষ্যৎ সার্বিক সুবিধা প্রদানে সক্ষম।
সমালোচনা ও আশঙ্কা মোকাবিলায় আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলো একক প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবর্তে সংঘবদ্ধ হয়ে বহুপাক্ষিক প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে মনোনিবেশ করতে পারে। আফ্রিকান চিন্তাবিদরা অন্তত এই কৌশলের প্রতিই গুরুত্বারোপ করছেন। এতে করে আফ্রিকান রাষ্ট্রসমূহের অর্থনৈতিক স্বার্থসহ রাজনৈতিক সংহতিও অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিবে, যা আফ্রিকাতে চীনের সার্বিক স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সাপ?তাহিক পতিবেদন

 মতামত সমূহ
Author : trncizolasyon
Author : trncizolasyon
Author : trncizolasyon
Author : rejuvmedia
Author : kfmimarlik
Author : nedshare
Author : tlclease
পিছনে 
 আপনার মতামত লিখুন
English বাংলা
নাম:
ই-মেইল:
মন্তব্য :

Please enter the text shown in the image.